Logo

“এটা শুধু বরিশাল জেলা পুলিশ না বাংলাদেশ পুলিশের সাফল্য-মোঃ নাইমুল হক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার”

“এটা শুধু বরিশাল জেলা পুলিশ না বাংলাদেশ পুলিশের সাফল্য-মোঃ নাইমুল হক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার”

বি এম মনির হোসেন
স্টাফ রিপোর্টারঃ-
“মাত্র১০ঘন্টায় হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আসামি গ্রেফতার টিম ওয়ার্ক এর ফলেই সম্ভব হয়েছে”- মোঃ নাইমুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ,বরিশাল।
বরিশাল জেলার মুলাদী থানার চাঞ্চল্যকর লোমহর্ষক ইমরান হত্যা মামলার মূল আসামি মোঃ যুবরাজ খলিফা আদালতে ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে । পুরো ঘটনাটি সে একাই ঘটায় এবং তার প্রেমিকা আফরোজা কে ও খুন করতে চেষ্টা করে বলে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট স্বীকার করে  । নিজের দীর্ঘদিনের প্রেমিকা আফরোজার সাথে নিহত ইমরানের অন্তরঙ্গ দৃশ্য দেখে সে সহ্য করতে পারেনি। তাই সে খুন করে। অন্যদিকে আসামি যুবরাজের প্রেমিকা আফরোজা(২০) পিতা- আলাউদ্দিন সরদার , গ্রাম- ব্রজমোহন, থানা- মুলাদী আদালতে মামলার চাক্ষুষ সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য প্রদান করে।
      গত ২৯ এপ্রিল রাত এগারোটার দিকে ভিকটিম মোঃ ইমরান হোসেন (২৫) পিতাঃ মোঃ আলতাফ হোসেন, গ্রাম- উত্তর বালিয়াতলী, থানা- মুলাদি কে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়। খবর পেয়ে মুলাদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করে পোস্টমর্টেমের জন্য শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলামের ( বি পি এম) এর নির্দেশে মোঃ নাইমুল হক,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (জেলা বিশেষ শাখা ও অপরাধ) এর নেতৃত্বে একটি টিম কাজ শুরু করে । ওই টিমের অন্যান্য সদস্যরা হল মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার, মুলাদী সার্কেল, মোঃ ফয়েজ আহমেদ, অফিসার ইনচার্জ মুলাদী থানা, মোঃ মজিবুর রহমান, ইন্সপেক্টর তদন্ত। মোঃ নাইমুল হক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা ও অপরাধ) এর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতির সহায়তায় মামলা হওয়ার মাত্র ১০ ঘন্টার ভিতরে মামলার রহস্য উদঘাটন, মূল আসামি গ্রেফতার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি টি ও উদ্ধার করা হয়। মোঃ নাইমুল হক জানান  “পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করলে অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে পুলিশের কাছে ধরা পড়তেই হবে। এটা একটা টিম ওয়ার্ক ছিল। টিমের সব সদস্যরা পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করেছে বিধায় খুব দ্রুত আমরা মামলার রহস্য উদঘাটন করতে পেরেছি এবং আসামিকেও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। পুলিশ সুপার আমাদেরকে সবসময়ই নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এটা শুধু বরিশাল জেলা পুলিশ না বাংলাদেশ পুলিশের সাফল্য।”

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *