Logo

মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়ে পশ্চিমা সাত রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ‘দুর্ভাগ্যজনক, হতাশাজনক ও অগ্রহণযোগ্য -পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন

মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়ে পশ্চিমা সাত রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ‘দুর্ভাগ্যজনক, হতাশাজনক ও অগ্রহণযোগ্য -পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন

ঢাকা অফিস:   পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় জোর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা সাত রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ‘দুর্ভাগ্যজনক, হতাশাজনক ও অগ্রহণযোগ্য
শুক্রবার (৮ মে) সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ড. মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এ ধরনের কোনো ‘ভূমিকা’দেখিনি। আমরা আমাদের মতো করে দেশ পরিচালনা করছি। আমি খুবই হতাশ। এটা খুবই হতাশাজনক ও  দুঃখজনক। এটা কোনোভাবেই ঠিক হয়নি।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাকস্বাধীনতার মর্যাদার সঙ্গে দায়বদ্ধতার বিষয়টি জড়িত। তারা যদি পোশাকশিল্পের ক্রয়াদেশ বাতিলের বিষয়ে কিছু বলেন অথবা আমাদের অভিবাসীদের নিরাপত্তা ও সহায়তা নিয়ে এবং অন্তত ছয় মাস তাদের চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে কথা বলেন, তবে খুশি হবে বাংলাদেশ। তাদের কোনো বক্তব্য থাকলে তারা সেটা কূটনৈতিক উপায়েই বলতে পারতেন।করোনার মতো মহামারির সময় নির্ভরযোগ্য ও বাস্তবভিত্তিক তথ্য প্রচার নিশ্চিত করার স্বার্থে গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বৃহস্পতিবার (৭ মে) আলাদা আলাদা টুইট করেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রেনসে তেরিঙ্ক, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভেরওয়েজ, যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত রবার্ট ডিকসন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত শার্লোট স্লাইটার ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এসট্রাপ পিটারসন। সেখানে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে তারা প্রশ্ন তোলেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

17 + one =


Theme Created By Raytahost.Com