Logo

আবারো লকডাউন এর আওতায় আনা হলো টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলাকে

আবারো লকডাউন এর আওতায় আনা হলো টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলাকে

মোঃ সিরাজুল ইসলাম – টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে টানা দেড় মাস বন্ধ থাকার পর সরকারী নির্দেশ মেনে গত রোববার (১০ মে) খোলা হয় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভা ও উপজেলার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট। ওইদিন সকাল থেকেই মার্কেটগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে নানা বয়সী শ্রেণী পেশার মানুষ। কিন্তু দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতারা মানছেন না সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি। এরই ফলশ্রুতিতে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সচেতন মহলের দাবীর প্রেক্ষিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৪মে) থেকে ঘাটাইলের সকল দোকানপাট বন্ধ রাখার নতুন নির্দেশনা আসলো। ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে তিনি আজ বুধবার সন্ধার পর একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হবে। গণবিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, রোববার থেকে ঘাটাইলের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার পর ক্রেতা-বিক্রেতারা কোন ধরনের সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। এতে করে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘাটাইলের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি চিন্তা করে আগামীকাল (১৪ মে) থেকে সকল ধরনের মার্কেট ও শপিল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হল। তবে ওষুধ ও কাঁচামালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, ঘাটাইলের দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি দেয়ার পর থেকে উপজেলা প্রশাসন মার্কেটে গভীর নজর রাখে। এতেকরে দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতারা সরকারি নির্দেশনার অন্তত নব্বই শতাংশই মানছেন না এবং নির্লিপ্ত থাকছেন। এছাড়াও ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয়টি ঘাটাইলের সচেতন মহল আমাকে অবহিত করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঘাটাইলের সকল দোকানপাট পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নতুন সিদ্ধান্ত গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জারি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত: করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর গত ২২ মার্চ দেশের সব দোকান মালিকদের উদ্দেশ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বিজ্ঞপ্তিতে গত ২৫ মার্চ থেকে সব দোকান-শপিংমল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরবর্তীতে গত ৪ মে আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, আগামী ১০ মে থেকে সারাদেশে সীমিত পরিসরে দোকানপাট ও শপিং মল খোলা যাবে। এতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্দেশনা মেনে শপিং মল ও দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে বলে জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

12 − 4 =


Theme Created By Raytahost.Com