Logo
HEL [tta_listen_btn]

মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার মোহাউৎসব

মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার মোহাউৎসব

 

মোঃ সাহাব উদ্দিন কক্সবাজার জেলা সংবাদদাতা:  মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের মোহরা কাটার পূর্বপাশে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার মোহাউৎসব চলছে। করোনা সংকটে পরিবেশ অধিদপ্তর, স্থানিয় বন বিভাগ ও প্রশাসনের কর্মব্যস্ততার সুযোগে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের মোহরাকাটা ধলঘাট পাড়া পাহাড়তলী মৌজায় পাহাড় কেটে বিক্রি করা হচ্ছে মাটি ও তৈরি করা হচ্ছে নতুন নতুন ঘর। গত দুই মাস ধরে দেদারসে কাটা হচ্ছে পাহাড়। দেখা যায়, মোহরাকাটার পূর্ব পাশে যত্রতত্র কাটা হচ্ছে পাহাড় ও ঢিলা। গড়ে ওঠেছে কাঁচা অসংখ্য ঘর। পাহাড় কেটে নির্মাণ করা হয়েছে রাস্তা ও অন্যান্য স্থাপনা। স্থানীয়রা জানায়, করোনা সংকটে দুই মাস ধরে স্থানিয় জেল ফেরৎ ভূমিদস্যু প্রভাবশালী ফিরোজের নেতৃত্বে দেদারসে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি ও ঘর বাড়ি নির্মাণ করার হিড়িক পড়েছে। পাহাড় ও ঢিলা কেটে একাধিক স্থানে ন্যাড়া করে ফেলা হয়েছে। এছাড়া মোহরা কাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্বপাশে আবুল কালাম নামে আরেক ভূমিদস্যুর নেতৃত্বে পাহাড় কেটে ডাম্পার গাড়ী যোগে মাটি বিক্রি চলছে। খোঁজ নিয়ে জানাযায়,প্রশাসনের কর্ম ব্যস্ততার সুযোগে শ্রমিক দিয়ে নির্বিঘ্নে চলছে পাহাড় কাটার উৎসব। পাহাড় কাটায় বনবিভাগের অনেকেই জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলেও সঠিক তথ্য কেউ দিতে পারেনি । পাহাড় কাটা ও ঘর নির্মাণে ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে পাহাড় খেকোরা অতি উৎসাহিত হয়ে যত্রতত্র পাহাড় কাটায় অনেকটা নিরাপদ মনে করছে। দেখা যায়, অত্র ইউনিয়নের ধলঘাট পাড়া পাহাড়তলী মৌজায় গড়ে ওঠেছে শতাধিক ঘরবাড়ি। পাহাড়ের খাঁদে খাঁদে এসব বাড়ি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। পাহাড় পাদ দেশেও রয়েছে বহু ঘরবাড়ি। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে নির্মাণ করা হয়েছে এসব ঘরবাড়ি। এভাবে পরিবেশ বিনষ্ট হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে বড় কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবেশবাদীরা। মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী বলেন, পাহাড় কাটার বিষয়টি আমার নজরে থাকায় পাহাড় কর্তন বন্ধ করতে কয়েকবার অভিযান করা হয়েছে। মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম বলেন, পাহাড় কাটার কারণে পরিবেশে বিপদগ্রস্ত হচ্ছে। পাহাড় কর্তনকারী যেই হোক না কোন ছাড় দেওয়া হবেনা। তিনি আর ও বলেন, করোনা সংকটের সুযোগে যত্রতত্র পাহাড় কাটা হচ্ছে বলে শুণেছি। এসব শক্ত হাতে দমন করতে হবে। সরকারি পাহাড় কাটা বন্ধ করতে হবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com