Logo
HEL [tta_listen_btn]

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধের  আহবান জানিয়ে সিপিবির সমাবেশ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধের  আহবান জানিয়ে সিপিবির সমাবেশ

নিজস্ব সংবাদদাতা :
বাংলাদেশে দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনাভাইরাস মহামারী প্রতিরোধের আহবান জানিয়ে নারায়ণগঞ্জে সচেতনতামূলক সমাবেশ করেছে কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে চাষাঢ়া শহীদ মিনারে ‘সচেতন হও, করোনা ঠেকাও, মানুষ বাঁচাও’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহীদ মিনার থেকে শহরের দুই নম্বর রেল গেট পর্যন্ত পথসভা, মিছিল, মাস্ক বিতরণ, প্রচারপত্র বিলি করেন নেতৃবৃন্দ।সিপিবি নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটির সভাপতি আব্দুল হাই শরীফের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মন্টু ঘোষ, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিবনাথ চক্রবর্তী, জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য বিমল কান্তি দাস, দুলাল সাহা, ফতুল্লা থানা সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের জেলা সভাপতি এমএ শাহীন ও আলমগীর হোসেন প্রমুখ।সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, তাপমাত্রা কমার সাথে সাথে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনা মহামারী নতুন করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একইভাবে বাংলাদেশেও করোনা মহামারী দ্বিতীয় পর্যায়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে শীত নামার সাথে সাথে দেশে নতুন করে করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হবে। মানুষ উদ্বিগ্ন। হাজারো সমস্যার মধ্যে এ সংবাদ জনগনকে আরও আতঙ্কিত করে তুলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, আসন্ন শীত মৌসুমে নাকি বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে। গবেষক ও বিজ্ঞানীরা নাকি সেকথাই বলছেন। এসব কথা শুনে দেশবাসী চরম উদ্বিগ্ন।তারা আরও বলেন, ইতিমধ্যে দেশের প্রতিটি গ্রামে করোনার সংক্রমন ছড়িয়ে পড়েছে। শ্রমজীবি মানুষের অর্থনৈতিক সংকটও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। কিন্তু করোনা প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় কোন কার্যকর উদ্যোগ আমরা দেখি না। সরকারের পক্ষ থেকে হার্ড ইমিউনিটির প্রচার করা হচ্ছে। আসলে ব্যক্তিগতভাবে করোনা প্রতিরোধ করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, সরকার ও রাষ্ট্রের উদ্যোগেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।বিনামূল্যে কিংবা সুলভ মূল্যে সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন,বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষা করতে হবে এবং সময় মতো রিপোর্ট দিতে হবে। করোনা রোগীদের জন্য উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। কর্মহীন জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে খাদ্য ও নগদ টাকা দিতে হবে। চোর ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। কমিউনিটি ক্লিনিকসহ সকল চিকিৎসা কেন্দ্র, হাসপাতাল সচল করতে হবে। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে বাড়তি টাকা নেয়া বন্ধ করতে হবে। সকল বেসরকারি ল্যাব ও হাসপাতালকে সরকারি নীতিমালার আওতায় আনতে হবে। স্বাস্থ্য সেবা জনগণের মৌলিক অধিকার। মানুষ বাঁচানোর দায়িত্ব সরকারের। রাষ্ট্রীয় খরচে মানুষ বাঁচানোর দায়িত্ব সরকারকে বহন করতে হবে। এই সরকার মানুষের জীবন ও জীবিকার নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ। এই ব্যর্থ সরকার ও অকার্যকর লুটেরা ব্যবস্থা বদলের সংগ্রামে জনগণকে এগিয়ে আসার আহবান জানাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com