Logo
HEL [tta_listen_btn]

নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে চাই  সম্মিলিত উদ্যোগ: মহিলা পরিষদ

নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে চাই  সম্মিলিত উদ্যোগ: মহিলা পরিষদ

নিজস্ব সংবাদদাতা:
করোনা মহামারীতে সারাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ভিন্ন মাত্রা দেখা গেছে। নারী ও কন্যার প্রতি সকল ধরণের সহিংসতার অবসান ঘটাতে হলে বিদ্যমান বৈষম্যমূলক আইন সংস্কার, নতুন আইন প্রণয়নসহ আইনের প্রয়োগ জরুরি বলে মন্তব্য মহিলা পরিষদের। চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতনের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংগঠনটি বলছে, নারীর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, নেতিবাচক চর্চার পরিবর্তন, সকল শ্রেণিপেশার মানুষের সচেতন সম্মিলিত উদ্যোগই পারে এইসব ঘটনা বন্ধ করতে। আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির নেতারা। নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে এ সময় ২৯টি সুপারিশও তুলে ধরেন তারা। শহরের নবাব সলিমুল্লাহ সড়কে সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয়ে মহিলা পরিষদের সভাপতি ল²ী চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রহিমা খাতুন, সহসভাপতি সালেহা বেগম, লিগ্যাল এইড সম্পাদক সাহানারা বেগম, সুজাতা আফরোজ। এবার ‘ধর্ষণ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ-আসুন নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি’ ¯েøাগানকে প্রতিপাদ্য করা হয়েছে। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রহিমা খাতুন। তিনি বলেন, করোনাকালীন সময়েও নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যা ভিন্নমাত্রায় দেখা যাচ্ছে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে পরিবর্তন আনতে হবে। নারীদের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে পারিবারিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে হবে। যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ এর শিকার নারীকে দায়ী করার মানসিকতা পরিহার করতে হবে। ধর্ষণ মামলার দ্রæত বিচার ট্রাইবুনালে বিচার করতে না পারলে অপরাধ কমানো যাবে না। পাশপাশি নারীর আর্থসামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। এক পরিসংখ্যানে মহিলা পরিষদ জানায়, চলতি বছর নারায়ণগঞ্জে ৭৫ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজন গণধর্ষণ এবং নয়জন ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন। চলতি বছর ১৩টি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে। তার মধ্যে শিশু হত্যার ঘটনা রয়েছে তিনটি। পঁচিশজন নারী ও শিশু উত্যক্তের শিকার এবং ৫০ জন মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের। এদিকে দেশব্যাপী পরিসংখ্যানে মহিলা পরিষদ বলছে, চলতি বছর সারাদেশে ধর্ষণের সংখ্যা ৮৫৮টি। এর মধ্যে গণধর্ষণের ঘটনা রয়েছে ২০৫টি এবং ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন ২৪ জন। ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা রয়েছ ১৭০টি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com