সিদ্ধিরগঞ্জ সংবাদদাতা:
শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি, শ্রম আইনের শ্রমিক স্বার্থবিরোধী ধারাসমূহ বাতিল দাবি করে গণতান্ত্রিক শ্রম আইন প্রণয়ন ও তেজগাঁয়ে শ্রমিকদের উপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বিকেল ৫ টায় মাসদাইর চৌধুরী কমপ্লেক্সের সামনে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট গাবতলী-পুলিশ লাইন শাখার উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট গাবতলী-পুলিশ লাইন শাখার সভাপতি সাইফুল ইসলাম শরীফের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লব, জেলা গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি সেলিম মাহমুদ, গাবতলী-পুলিশ লাইন শাখার সাধারণ সম্পাদক হাসনাত কবীর, সহ সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, কাঁচপুর শিল্পাঞ্চল শাখার আনোয়ার হোসেন খান প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের দীর্ঘ দিনের দাবি গণতান্ত্রিক শ্রম আইন প্রণয়ন করা। সরকার শ্রম আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু অতীতে দেখা গেছে মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ বিজেএমইএ যেভাবে চায় সেভাবে মালিকের স্বার্থ রক্ষা করে শ্রম আইন সংশোধন হয়েছে। আমরা দাবি করছি বাংলাদেশের সংবিধান, আইএলও কনভেনশন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ঘোষণাকে ভিত্তি ধরে শ্রম আইন সংশোধন করে গণতান্ত্রিক শ্রম আইন প্রণয়ণ করতে হবে। বর্তমান শ্রম আইনের শ্রমিক স্বার্থবিরোধী সকল ধারা বাতিল করতে হবে। সেখানে লোক দেখানো সংশোধন হলে শ্রমিকরা মানবে না। বক্তারা আরও বলেন, করোনাকালে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমজীবী মানুষ। চাল, তেল, চিনিসহ সমস্ত নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ছে। কিন্তু গার্মেন্টস শ্রমিকের মজুরি বাড়ে নাই। অনতিবিলম্বে বাজারদরের সাথে সঙ্গতি বিধান করে নতুন মজুরি কাঠামো করতে হবে। নতুন মজুরি ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত শ্রমিকের চলার জন্য মহার্ঘ ভাতা দিতে হবে। তেজগাঁও এ অবস্থিত স্টিচ ওয়াল ও অ্যাপারেল স্টিচ এর শ্রমিকরা ৪ মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে ১০ বা ১৫ জন শ্রমিক আহত হয়। এ সময় ন্যায়সঙ্গত শ্রমিক আন্দোলনে গুলিবর্ষণকারী পুলিশের শাস্তি, মালিককে গ্রেপ্তার ও শ্রমিকের বকেয়া পরিশোধর দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।