Logo

সোনারগাঁয়ে বক্তৃতাকালে মাহবুব উল আলম হানিফ- ধর্ম ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করা হবে

সোনারগাঁয়ে বক্তৃতাকালে মাহবুব উল আলম হানিফ- ধর্ম ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করা হবে

সোনারগাঁ সংবাদদাতা:
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, যারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে, তান্ডব চালায় তাদেরকে প্রতিহত করা হবে। মামুনুল হকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যারা আওয়ামীগের কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে হামলা ভাংচুর চালিয়েছে তাদের রেহাই নেই। হামলাকারীদের প্রত্যেকের তালিকা করে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হবে। এখানের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা হামলাকারীদের তালিকা করেন। বুধবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ভাংচুর হওয়া আওয়ামী কার্যালয় পরিদর্শন শেষ এসব কথা বলেন আওয়ামীলীগের এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, যারা ধর্মের নামে ব্যবসা করে, ধর্মের নামে তান্ডব চালায় তাদের আর বরদাশত করা হবে না। আঘাতের পাল্টা প্রতিঘাত করা হবে। এজন্য আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীরা প্রস্তুত থাকবেন। ধর্মের নামে কোন ধ্বংসযজ্ঞ আর মেনে নেয়া হবে না, প্রতিহত করা হবে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামীলীগের একটি কার্যালয় ভাঙ্গা মানে আওয়ামীলীগের প্রতিটি নেতাকর্মীর ঘর ভাঙ্গা। তাদের কাউকেই রেহাই দেয়া হবে না। আপনারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন এবং মাস্ক পরিধান করবেন।প্রতিনিধি দলে আরো উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু শহীদ মোঃ বাদল (ভিপি বাদল), সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির, যুগ্ম সম্পাদক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু, সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ আবদুল্লাহ আল কায়সার, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম প্রমুখ। এর আগে, গত শনিবার (৩ এপ্রিল) সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্টে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক স্ত্রী সহ লাঞ্ছিত ও অবরুদ্ধ থাকার খবরে হেফাজত কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে এর পর আওয়ামীকার্যালয়, যুবলীগ নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ি এবং রয়েল রিসোর্টে ভাংচুর চালায় হেফাজতে কর্মীরা। তারই প্রেক্ষিতে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির একটি প্রতিনিধি দল মাহবুব উল আলম হানিফের নেতৃত্বে সোনারগাঁ আসেন।
মির্জা আজম যা বললেন:
এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পর যখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই ইসলামের নামে এই ধর্ম ব্যবসায়ীরা যারা ধর্মের অপ ব্যবহার করে তারা এ দেশকে একটি অকার্যকর, তালেবানী রাষ্ট্র বানানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এরা তারাই যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারে নাই যারা বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি। মির্জা আজম সাংবাদিকদের বলেন, এরা যানবাহন পুড়িয়ে দিচ্ছে এরা মানুষকে ধরে ধরে পেটাচ্ছে এবং এরা এই কাঝে ছোট ছোট শিশুদেরকে ব্যবহার করছে। এরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চেয়ে নির্মম। এরা শুধু আওয়ামী লীগের কর্মীদের উপর হামলা করে ছে তা নয় এরা রাষ্টের শত্রু। তারা মুলত বাংলাদেশ বিরোধী। তারা তাদের অপকর্মের পরেই আরাম আয়েশ করার জন্য রিসোর্টে এসে তামাশা করতে এসেছে। আর সেই তামাশা এই দেশের জনগনের কাছে ধরা পরেছে। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি আমাদের সকলকে মিলে এদেরকে প্রতিহত করতে হবে। এরা সুযোগ পেলে কারোকে ছারবে না। এরা দেশের শত্রু, এরা মানবতার শত্রু, এরা মানুষের শত্রু। আমরা আমাদের এই দেশকে কোন ক্রমেই এই অপশক্তির হাতে ছেরে দিতে পারি না। এরাই ১৯৭১ সালে বাংলার মানুষকে হত্যা করেছে এরাই ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *