Logo

অসহায়ের পাশে সালমা ওসমান লিপি

অসহায়ের পাশে সালমা ওসমান লিপি

নিজস্ব সংবাদদাতা:
নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমানের স্ত্রী সালমা ওসমান লিপি করোনাকালে অসহায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রথম ঢেউ চলাকালে নারায়ণগঞ্জের গরীব, অসহায়দের পাশে এসে যে কয়জন দাঁড়িয়ে ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি। শুধু অসহায় নয় নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশেও দাড়িয়েছেন এই মহিয়সী নারী। এ নারী দেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ওসমান পরিবারের পুত্রবধূ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমানের স্ত্রী।বর্তমানে চলছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, যা সামলাতে বেশির ভাগ মানুষই খাচ্ছেন হিমশিম। প্রথমবারের মতো লকডাউন দেয়ার পর অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিলেন, কিন্তু এবার তেমনটা দেখা যাচ্ছে না। তাই গরীবরা হয়ে পরেছেন আরো অসহায়। এমতাবস্থায় সাহায্যের ধারাকে অব্যহত রেখেছেন সালমা ওসমান লিপি। খাবার থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে নগরীতে থাকা গরীব অসহায়দের খাদ্য বিতরণ করেছেন সালমা ওসমান লিপি। শুধু তাই নয় হৃদরোগের কারনে মারা যাওয়া হৃদয় নামের এক যুবকের পরিবার বেশ কিছুদিন যাবত অনাহারে ছিলো বলে খবর পান সালমা ওসমান লিপি সঙ্গে সঙ্গে ১ মাসের খাবার পাঠিয়ে দেন তাদের বাসায়। ১ মাসের খাবারের মধ্যে ছিলো- চাল ১বস্তা, ছোলা, খেশারি ডাল, বেশন, মুশরি, চিনি, গুর, পিয়াজ, আলু, লবন, মুরগি, পোলার চাল, তেল, মুড়ি, খেজুরসহ রোজার মাসে প্রয়োজনীয় সকল নিত্যপন্য। জানা গেছে, হৃদয় নামের ছেলেটি বেশ কিছুদিন যাবৎ হদরোগে ভুগছিলো। ছিলো না চিকিৎসা করার মতো অর্থ। এমন খবর শুনতে পেরে হাত বাড়িয়ে দেন সালমা ওসমান লিপি। প্রায় ৩/৪ লাখ টাকা খরচ করে করিয়েছিলেন চিকিৎসা। কিন্তু অবশেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মৃত্যুবরণ করে হৃদয়। তারপর থেকেই হৃদয়ের পরিবারে নেমে আসে শোক আর অভাবের ছায়া। একটি ডিম ভাজা ভাগ করে কোন মতে খেয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন তারা (হৃদয়ের পরিবার)। করোনার আগে থেকেই মানবতার হাত বাড়িয়ে দেয়া ছিলো তার নিত্য দিনের অভ্যাস। করোনা কালে কখনও খাদ্য নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আবার কখনওবা করোনা আক্রান্ত পরিবারের জন্য বাড়িয়ে দিয়েছেন সহযোগীতার হাত। সংকট কালিন সময়ে করোনায় আক্রান্তদের ব্যবস্থা করেছেন চিকিৎসার। দিয়েছেন হাসপাতালে বেড ও অত্যাধুনিক অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়েছেন। অর্থ দিয়ে সহযোগীতা করেছেন হাজারও মানুষকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *