Logo
HEL [tta_listen_btn]

ফেসবুক পোস্টে সঠিক তথ্য দিন -এসপি জায়েদুল আলম

ফেসবুক পোস্টে সঠিক তথ্য দিন -এসপি জায়েদুল আলম

নিজস্ব সংবাদদাতা:
জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন, সঠিক তথ্য না জেনে কেউ ফেসবুকে পোস্ট দেবেন না। তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে কেউ কারো পোস্ট শেয়ার করবেন না। এতে আপনি নিজেও অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারেন। শনিবার (১৭ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, একজন প্রতিবন্ধী নারীর ছবি ব্যবহার করে গণধর্ষণ ও নির্যাতণের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। সেই পোস্ট জেলা পুলিশের নজরে আসলে সাথে সাথেই উদ্ধার করা হয় নারীকে। পরে চিকিৎসক পরীক্ষা নিরিক্ষা করে বলেন, নারীটি ধর্ষণের শিকার হয়নি বা তাঁর শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এখন প্রশ্ন আসছে, সেই নারীকে নিয়ে কি গুজব ছড়ানো হচ্ছে? উত্তর হচ্ছে ‘হ্যা’।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের মুখপাত্র (ইনচার্জ, আইসিটি এন্ড মিডিয়া) হাফিজুর রহমান জানান, ‘গত বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) নারায়ণগঞ্জের একটি গ্রুপে ফেসবুক পোস্টাটি দেখে সাথে সাথেই বন্দর থানা থেকে ফোর্স পাঠানো হয়। পরে ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎক জানিয়েছেন, ওই নারী ধর্ষণের শিকার হননি এবং তাঁর গায়ে আঘাতের চিহ্নও নেই। নারায়ণগঞ্জের একটি জনপ্রিয় ফেসবুক গ্রুপ ‘নারায়ণগঞ্জস্থানে’ গত ১৫ জুলাই রাতে পোস্টদাতা উল্লেখ করেন, ‘ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী নারী বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকার। সে গণধর্ষণ ও নির্যাতণের শিকার হয়েছেন। তাঁর আশ্রয়ের জন্য সহযোগীতা চান। হাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত না হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এ ধরণের স্পর্শকাতর বিষয়ে পোস্ট দেয়া ঠিক হয়নি। যদিও পোস্টদাতা ইতোমধ্যে বিষয়টির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু জেলা পুলিশ এভাবে মনিটর না করতো তাহলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটা ভাইরাল হতে বেশি সময় লাগতো না। সেক্ষেত্রে অভিযোগের তীর পুলিশের দিকে ছোড়া হতো। নানা জনের অবাঞ্ছিত কমেন্টে জেলা পুলিশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়তো। তখন পোস্টদাতা কোথায় কিভাবে দুঃখ প্রকাশ করতেন আমাদের জানা নেই। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জায়েদুল আলম জানান, প্রতিবন্ধী নারী গণধর্ষণের শিকার হয় এমন একটি ফেসবুক পোস্ট দেখে সাথে সাথে সেই নারীর খোঁজ করি। পরে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা করাই। চিকিৎসা শেষে কোন ধর্ষণ বা মারপিটের আলামত পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ পূর্বক তাঁকে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখার আবেদন করা হয়। বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক প্রতিবন্ধী নারীকে গাজিপুর সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। সকলের কাছে অনুরোধ থাকবে, আপনারা সঠিক তথ্য দিন আমাদের, আমরা আপনাদের পাশে সব সময় থাকবো। কোন বিষয়ে সঠিক তথ্য না জেনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করবেন না। এতে আপনিও অপরাধে জড়িত হতে পারেন। পুলিশ সব সময় জনগনের পাশে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com