Logo
HEL [tta_listen_btn]

দেখার কেউ নেই  বন্দর খেয়াঘাটে লকডাউন উপেক্ষা

দেখার কেউ নেই  বন্দর খেয়াঘাটে লকডাউন উপেক্ষা

বন্দর সংবাদদাতা:
লকডাউন উপেক্ষা করেই বন্দর খেয়াঘাটে যাত্রী পারাপার করানো হচ্ছে। নৌকা ও ট্রলারে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। জরুরি কাজ না থাকলেও অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে শীতলক্ষ্যার এপার থেকে ওপার যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এদিকে নজর না দেওয়ায় অবস্থা আয়ত্তের বাইরে চলে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই বন্দর খেয়াঘাটে যাত্রী পারাপার হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে দীর্ঘলাইন যেন একটা নিয়মে পরিণত হয়েছে। অনেকের মুখে মাক্স নেই, কেউ মানছেনা স্বাস্থ্যবিধি। করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ঝুঁকিতেই নদী পারাপার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। একে অপরের সাথে গাঁ ঘেষে দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে পাড়ি দিচ্ছে শীতলক্ষ্যা নদী। তবে যাদের মাক্স নেই বা বিনা কারণে বাহির হচ্ছেন তাদের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করছেন ম্যাজিস্ট্রেটরা। সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেলে সরজমিনে গিয়ে এমন
চিত্রই দেখাগেছে। লাইনে দাড়িয়ে থাকা বন্দর কলাগাছিয়া এলাকার বাসিন্দা হাতেম মিয়া জানান, কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড জ্বর তাই ডাক্তার দেখাতে পপুলার যেতে হচ্ছে। কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে লাইনে দাড়িয়ে থাকায় পা ব্যাথা করছে। কি করবো লাইনে না দাড়ালে তো যেতে পারছিনা, সামনে সেনাবাহিনীর লোক দাড়িয়ে আছে লাইনে না দাড়ালে যদি কিছু বলে। বন্দর ঘারমোরা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা বৃদ্ধ রহিম সিকদার জানান, এই মহামারিতে কি এমনি এমনি বাহির হয়েছি। আমার ছোট ভাই খুব অসুস্থ ওকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাই বাধ্য হয়েই যেতে হয়েছে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফা জহুরা বলেন, কঠোর লকডাউনে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে বিনাকারণে কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবে না। তারপরও মানুষ তা মানছে না বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে মানুষ এদিক ওদিক যাচ্ছে। এসময় তিনি বলেন, আমরা যতটুকু সম্ভব প্রতিটি মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বলছি। মাক্স ব্যবহার নিশ্চিত করছি। যারা বিনাকারণে ঘরের বাহির হচ্ছে তাদের ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com