Logo
HEL [tta_listen_btn]

দেখার কেউ নেই  দাবড়ে বেড়াচ্ছে অয়ন বাহিনী

দেখার কেউ নেই  দাবড়ে বেড়াচ্ছে অয়ন বাহিনী

ফতুল্লা সংবাদদাতা:
ভয়ংকর রূপে ফতুল্লা এলাকা দাবড়ে বেড়াচ্ছে কিশোর গ্যাং প্রধান অয়নের চেলাপেলারা। এই বাহিনীর ভয়ে এলাকার মানুষ সর্বদা তটস্থ থাকছেন। চৌদ্দ বছর বয়সেই অয়ন পোশাক কারখানায় কর্মরত সমবয়সীদের টাকা কেড়ে নিয়ে হাতেখড়ি হয়, এরপর মাদক, চুরি-ছিনতাইয়ের সাথে জড়িয়ে পড়েন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে কারখানার কিশোরী শ্রমিকদের করতেন ইভটিজিংও। স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘এখন সেই যুবকের বয়স বিশের কোঠায়। কিন্তু এরই মধ্যে থানায় এই যুবকের বিরুদ্ধে ডজন খানেক অভিযোগ পড়েছে। মাদক মামলা ও অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায় করতে গিয়ে এরই মধ্যে ২ বার গ্রেফতার হয়ে কিশোর সংশোধনাগারে ছিলেন। জামিনে মুক্তির পর সর্বশেষ নতুন করে ওই যুবক ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে গত ১৮ জুলাই ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে।’ সময়ের সাথে সাথে ভয়ঙ্কর অপরাধী হয়ে উঠছে ফতুল্লার তক্কারমাঠ এলাকার সাব্বির মিয়ার ছেলে অয়ন। গড়ে তুলেছেন বিশাল বাহিনী। তার সকল কাজেই সহযোগী হিসেবে থাকছেন ইব্রাহীম নামের আরও এক যুবক। তাদের ভয়ে আতংঙ্কিত তক্কারমাঠসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাদেরই সাবেক এক সহযোগী জানান, প্রায় প্রতিদিনই তক্কারমাঠ এলাকার হিমাচল মাঠ, বরপকল রোডের বুড়ির বাড়ি নামের পরিত্যক্ত স্থানসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কিশোর বয়সী শ্রমিকদের আটকে রেখে টাকা আদায় করেন অয়ন ও তাঁর গ্যাংয়ের সদস্যরা। রাতে কোন মেয়ের সাথে ছেলে চলাচল করলেই শুরু করেন বøাকমেইল। এছাড়া রাতে প্রায়ই এই গ্যাং ধারা চুরি ছিনতাই হয় ওই এলাকাতে। গত ১৮ জুলাই ঈদের ছুটিতে স্ত্রী বেড়াতে যায়। বাড়িতে একাই ছিল ব্যবসায়ী মন্নফ গাজী। সুযোগ বুঝে কে বা কারা ওই ব্যবসায়ীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে পাশের কক্ষ গুলোতে লুট করেন। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মন্নফ গাজীর ফতুল্লা থানা পুলিশকে জানান, ‘এই কাজের সাথে অয়ন, তার সহযোগী ইব্রাহীম এবং রাতুলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৬ জন জড়িত থাকতে পারে। তাদের আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করলেই এই ঘটনার রহস্য বেড়িয়ে আসবে।’ গত ১ অক্টোবর অভিযোগের তদন্তের দায়িত্বে থাকা ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামীম জানান, ঈদের পূর্বে অয়নের সন্ধানে তার বাসায় গিয়ে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে অয়নের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে আমাদের উপরই অভিযোগ এনে অয়নের নানী বলেছেন, ‘পুলিশ আসার পরে আমার নাতিকে পাওয়া যাচ্ছে না। আপনারাই কী কিছু করছেন কী না কে জানে’। হিমাচল মাঠের এক বাসীন্দা জানান, ‘ডাকাতির ঘটনার পরেও অয়নকে তাদের সহযোগীদের সাথে এলাকাতেই দেখা গেছে। এখনও এখানেই রয়েছে।’ ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর ছেলে মোঃ ইকবাল গাজী বলেন, ‘অভিযুক্ত আসামিরা প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা আইনের আশ্রয় নেওয়ায় আসামীদের পরিবারের সদস্যরা উল্টো বাড়ির নিচে এসে গাল-মন্দ করেছে। আইনের আশ্রয় নিয়ে এখন আমরাই উল্টো নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।’ এ ব্যাপারে ২ অক্টোবর ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামীম জানান, ‘পারিবারিক কাজে একটু ঢাকায় রয়েছি। খুব শীগ্রই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূবর্ক আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com