Logo

বিক্ষোভ সমাবেশে এড. তৈমূর খন্দকার অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন

বিক্ষোভ সমাবেশে এড. তৈমূর খন্দকার অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন

নিজস্ব সংবাদদাতা
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে দেওয়া আইমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন জেলা বিএনপির আহŸায়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য এড. তৈমূর আলম খন্দকার। আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আইন কী সেটার ব্যাখ্যা আমরাও জানি। ক্ষমতা কখনও চিরস্থায়ী নয়। আপনাদেরও হয়তো হাইকোর্টের বারান্দায় দাঁড়াতে হবে। জামিনের জন্য আসতে হবে। চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হবে। কিন্তু আপনাদের মতো হিংসাত্মক আচরণ আমরা করবো না। সোমবার (২২ নভেম্বর) দুপুর ২টায় শহরের চাষাঢ়াস্থ নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের পাশের সড়কেজেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে এড. তৈমূরএ কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি ও চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়ার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি এইবিক্ষোভ সমাবেশেরআয়োজন করে। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহŸায়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য এড. তৈমূর আলম খন্দকারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল ইসলাম রবি, জাহিদ হাসান রোজেল, সদস্য এড. আবুল কালাম আজাদ, রিয়াদ মো. চৌধুরী, রুহুল আমিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মন্টু মিয়া, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রহিমা শরীফ মায়া প্রমুখ। বিএনপি প্রথমে প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সড়কে সমাবেশ করতে চাইলে সদর মডেল থানা পুলিশ তাতে বাধা দেয়। পরে পাশের সড়কের উপরই বসে পড়েন নেতা-কর্মীরা। এ সময় তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ‘স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার অধিকার রয়েছে। দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কিছু হলেই বিদেশে চিকিৎসার জন্য চলে যায়। দেশের চিকিৎসা এতই উন্নতমানের হলে মন্ত্রী-মিনিস্টাররা বিদেশে যেত না। তিনি আরও বলেন, ‘দু’টি কারণে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে দেওয়া হয় না। প্রথমত, নিশ্চয়ই জেলখানায় তাকে কোনো প্রকার অপচিকিৎসা করা হয়েছে। তিনি যদি বিদেশে যান তাহলে বিদেশি চিকিৎসায় এটা ধরা পড়বে তখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর বিচার হবে। আরেকটি কারণ হতে পারে, সরকার চায় এদেশ থেকে দেশনেত্রী যত দ্রæত মারা যাবেন তত তাড়াতাড়ি এদেশে একদলীয় শাসন কায়েম করা সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, নিজের মনগড়া সিদ্ধান্ত আপনি নিতে পারেন না। প্রত্যেক ক্রিয়ারই বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। কোনো আন্দলনই বিফলে যায়নি-যাবেও না। বক্তব্য শেষে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন তৈমূর আলম খন্দকার। দোয়ায় অংশ নেন উপস্থিত নেতা-কর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *