Logo
HEL [tta_listen_btn]

এনসিসি’র ড্রেনেজ ব্যবস্থায় ত্রæটি

এনসিসি’র ড্রেনেজ ব্যবস্থায় ত্রæটি

নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রতিবছর বর্ষার মৌসুমে নারায়ণগঞ্জ শহরের বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতাকে আরও জটিল করে তোলে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা। যার কারণে বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। এতে ডুবে যায় শহরের প্রধান সড়ক। অবাক করার বিষয় হলো, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে বার বার বঙ্গবন্ধু সড়কসহ কয়েকটি সড়কে পানি জমে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কিন্তু তারপরও কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না সিটি কর্পোরেশন। এদিকে বৃষ্টির জমে থাকা পানির সঙ্গে যুক্ত হয় পলিথিন আর আবর্জনা। ফলে দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতার পানি সড়কে জমে থাকে। এতে দুর্ভোগ পড়তে হয় শহরবাসীকে। শহরবাসীর অভিযোগ, গত কয়েক বছর যাবৎ বর্ষা মৌসুম এলেই এমন দুর্ভোগে পড়েন তারা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ফুটপাত ও শহরের মার্কেটের দোকানদারদের ব্যবহৃত ও উচ্ছিষ্ট পলিথিনসহ অন্য বর্জ্য ড্রেনে ফেলা হয়। এসব বর্জ্য নিয়মিত পরিষ্কার না হওয়ায় বৃষ্টি হলে দ্রæত ড্রেনের পানি সরে না। তারউপর ড্রেনের ময়লা পরিস্কার করে ডেনের পাশে রেখে দেয়া হয়। সেই ময়লা বৃষ্টি আসলে ধুরে আবার ড্রেনে গিরে পড়ে। ফলরূপ বর্ষায় জলাবদ্ধতার ভোগান্তি হয়ে উঠে অসহনীয়। বৃহস্পতিবার (৯ জুন) সকালের একটানা দেড় ঘন্টা বৃষ্টিতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ বঙ্গবন্ধু সড়কসহ পুরো শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, চাষাঢ়া শহীদ মিনার থেকে কালিবাজার মোড় পর্যন্ত জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। গলাচিপা, কলেজরোড, জামতলা, উকিলপাড়া মোড়সহ সলিমুল্লাহ সড়কের বাগে জান্নাত মসজিদের থেকে ডনচেম্বার পর্যন্ত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এসময়ে প্রায় হাঁটু পর্যন্ত পানি জমে। কাঁদা-পানিতে সয়লাব হয়ে পড়ে সড়ক। পানি কয়েক ঘন্টা বাদে নেমে যায়। কিন্তু পলিথিন জমে ড্রেনেজ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়লে সময়মতো পানি না সড়ায় ব্যাপক দুর্ভোগে পড়েন শহরবাসী। ভুক্তভোগী কলেজ রোডের বাসিন্দা মাসুম সরকার জানান, একতো শহরে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, এরপর ড্রেনের ওপর সড়কের দোকানপাটের বর্জ্য ও পলিথিন ফেলায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ কমে গিয়ে এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আর কয়দিন পর বর্ষার একটানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ আরো বাড়বে। সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা আলমগীর হিরণ এ বিষয়ে বলেন, আমাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার করে। কিন্তু মানুষ ড্রেনেই ময়লা-আবর্জনা ফেলে। ড্রেন পরিষ্কার করলে অতিরিক্ত প্লাস্টিক আর পলিথিন পাওয়া যায়। এই কারণে পানি নিস্কাশন হতে অতিরিক্ত সময় লাগে। জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com