Logo
HEL [tta_listen_btn]

মহানবীকে কটূক্তি মুসুল্লিদের মিছিলে উত্তাল না’গঞ্জ

মহানবীকে কটূক্তি মুসুল্লিদের মিছিলে উত্তাল না’গঞ্জ

দেশের আলো রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামা পরিষদের সমন্বয়ক, হেফাজতে ইসলামের সাবেক কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও ডিআইটি মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুল আউয়াল বলেছেন, আমাদের পার্লামেন্টে নিন্দা প্রস্তাব আনুন, দূতাবাসকে ডেকে কড়া ভাষায় নিন্দা জানান। আমরা শাপলা চত্বর গিয়েছি, কত ঘটনা ঘটেছে। আপনারা ভেবেছেন হেফাজতে ইসলাম শেষ হয়ে গেছে। আবার নতুন করে হেফাজত ইসলামের প্লাটফর্ম তৈরি করব এবং ইসলাম বিরোধীদের উচিত শিক্ষা দিয়ে ছাড়ব। হেফাজত ইসলাম এখনও আছে। শুক্রবার (১০ জুন) জুম’আর নামাজের পর বিকেলে শহরের ডিআইটি এলাকায় ভারতে মহানবীকে কটূক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর ওলামা পরিষদ। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। সমাবেশে বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার মুসুল্লি যোগ দেন। মাওলানা আবদুল আউয়াল বলেন, আল্লাহর জন্য যদি বুলেট আসে আমরা বুক পেতে নিতে রাজী আছি। আমার জীবনের শেষ মুহূর্তে বলছি, আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল এবং কোরআনের বিরুদ্ধে কোন কুলাঙ্গার কিছু বললে আমরা তার জিভ টেনে ছিঁড়ে ফেলব।তিনি আরও বলেন, নুপুর শর্মা একজন সাধারণ ব্যক্তি। সে যা বলেছে সেটা তার নিজের কথা নয়। সেখানে আমাদের ভাইদের গরু হত্যার জন্য জবাই করা হচ্ছে। সেখানে যারা মিছিল করেছে সেখানে পুলিশ হামলা করেছে। এসব বিজেপি সরকার করেছে। বিজেপিকে বলতে চাই, আল্লাহর পয়গম্বরের বিরুদ্ধাচারণকারীদের আশ্রয় দিলে অচিরেই ক্ষমতার মসনদ খান খান হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আপনাদের কাছে জানতে চাই, আমাদের সরকার চুপ করে আছে কেন। আমরা ভালো করে জানি, ভারত সরকারের তল্পিবাহক হিসেবে তারা এদেশ শাসন করছে। আমাদের ভাইদের দীর্ঘদিন তারা জেলে আটকে রেখেছে। আমাদের ওলামা ভাইদের তারা মুক্তি দিতে সাহস পায় না। তারা ভেবেছে, আলেম ওলামারা বের হলে জনগণ এক হয়ে না জানি কোন আন্দোলন করে। বাংলার জমিনে আগুন, ঘূর্ণিঝড়সহ যা কিছু দেখছেন তা আলেম ওলামাদের বদ দোয়া ছাড়া আর কিছু না। অনতিবিলম্বে তাদের মুক্তি দেয়ার ব্যবস্থা করুন। সরকার বাহাদুর আপনি ভেবেছেন, ভারত সরকার আপনাদের বসিয়ে রেখেছে। ভারত সরকার নয় আমার আল্লাহ বসিয়ে রেখেছে। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস যদি না পাও তাহলে অচিরেই তোমার মসনদও শেষ হয়ে যাবে। এখন সময় আছে বোঝার চেষ্টা করুন। রাসূলের জন্য আপনার প্রাণ না কাঁপলেও এদেশের কোটি মুসলমানের হৃদয়ে রক্তক্ষরণচলছে। আর তারা এ রক্তক্ষরণ নিয়ে মাঠে নামলে গদিতে থাকতে পারবেন না।
খেলাফত মজলিস
স¤প্রতি ভারতের উগ্র সা¤প্রদায়িক ক্ষমতাসীন বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা ও মিডিয়া সেল প্রধান নবীন জিন্দাল কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও উম্মাহাতুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) কে নিয়ে চরম অশ্লীল ও অবমাননাকর মন্তব্য করার প্রতিবাদ ও কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে, ভারতীয় পণ্য বয়কট এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নিন্দা প্রস্তাব ও প্রতিবাদ জানানোর দাবি জানিয়েছেন খেলাফত মজলিস নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার (১০ জুন) বাদ জুম’আ নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব চত্ত¡র থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান। নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সভাপতি ডা. শরীফ মুহাম্মদ মোসাদ্দেকের নেতৃত্বে প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিলটি নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঐতিহাসিক ডিআইটি চত্ত¡রে গিয়ে নারায়ণগঞ্জ উলামা পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ যোগ দেয়। প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন, জেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আহমদ আলী, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফেজ কবির হোসাইন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হাফেজ মুহাম্মাদ আওলাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ ও কামরুল হাসান পায়েল প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, এ ঘটনায় ভারত সরকারকে মুসলিম উম্মাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং ভবিষ্যতে এমন কর্মকান্ড যেন করতে না পারে সেজন্য বিশ্ব মুসলিমকে সজাগ থাকতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, মুসলমানরা তাদের নবীকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। বিশ্বনবীর মর্যাদা রক্ষার জন্য আমরা জীবন দিতেও কুণ্ঠিত হবো না। বীরের জাতি মুসলিমরা জেগে ওঠলে ভারতকে উচিত শিক্ষা দেয়া হবে। প্রয়োজনে জীবন দিয়ে হলেও নবী (সা.) এর মর্যাদা রক্ষা করবো, ইনশাআল্লাহ। নারায়ণগঞ্জ উলামা পরিষদ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে খেলাফত মজলিস ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের অংশগ্রহণে জনসমুদ্রে পরিণত হয় নারায়ণগঞ্জ শহর।
ইসলামিক ফ্রন্ট
ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান আল্লামা সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী বলেছেন, অচিরেই সংসদে এই হীনকর বক্তব্যের প্রতিবাদে নিন্দা প্রস্তাব জানাতে হবে এবং ভারতীয় হাইকমিশনারকে ডেকে এই বক্তব্যের জন্য ব্যাখ্যা চাইতে হবে। ভারত থেকে আমদানি নির্ভরশীলতা কমাতে হবে নিজেদের স্বনির্ভরতা ও বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে। ভারত মুসলমানদের বিরুদ্ধে যখনই কোন ন্যাক্কারজনক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে সাথে সাথে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এখনই সময় মুসলিম বিশ্বের মাঝে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করার।ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে। আজ যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে কুরআন সুন্নাহ প্রতিষ্ঠিত থাকতো তাহলে আমাদের দেশের সংসদে সাথে সাথে এর প্রতিবাদ জানানো হতো। তাই কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র কায়েমের লক্ষ্যে আমাদের বেগবান আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে এবং যেখানেই ইসলামের শত্রæরা ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে তার প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের মাধ্যমে ইসলামের আবহমান কালের শান্তির ঝান্ডা জারি রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
শুক্রবার (১০ জুন) জুম’আর নামাজের পর নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সামনে থেকে এক প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাহাদুর শাহের এই বার্তা পৌছে দেন বক্তারা। উক্ত প্রতিবাদ সভায় ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি এড. এএমএম একরামুল হক এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত নারায়ণগঞ্জ জেলার আহবায়ক মাওলানা গাজী সিরাজুল ইসলাম আল-আবেদি। আরো উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা মাহফুজুল হক মুজাহেদী, মাওলানা মুফতি হাসান মুরাদ, মাওলানা মুফতি আবুল হাসান তৈয়বী, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, মাওলানা ওমর ফারুক হেলালি, মাওলানা শাহাদাত আজমী, হাফেজ মো.বাছেত, বাংলাদেশ হিজবুর রাসুল (দ.) নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আলহাজ্ব মো. নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান ডাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানত উল্লাহ আরমান, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলার সহ-সভাপতি ইকবাল সোবহান এপোলো, আলহাজ্ব মো.সানোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন কাওছার, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক, মাওলানা তামিম বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো.তরিকুল হাসান লিংকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো.সাইফুদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ সরদার, দপ্তর সম্পাদক মো.সানি দেওয়ান, প্রচার সম্পাদক গোলাম মাওলা সোহেল, ছাত্র যুব ক্রীয়া সম্পাদক গোলাম মোস্তফা নীরব, নারায়ণগঞ্জ জেলা ইসলামী ছাত্রসেনার সভাপতি রাহাত হাসান রাব্বীসহ জেলা ও মহানগর ইসলামী ছাত্রসেনার নেতৃবৃন্দ।
ইসলামী যুব আন্দোলন
ভারতের ক্ষমতাসীন দলের ২ নেতা মহানবী (সা.) কে নিয়ে আপত্তির মন্তব্য ও কটূক্তির প্রতিবাদে সিদ্ধিরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ইসলামী যুব আন্দোলন সিদ্ধিরগঞ্জ শাখা। শুক্রবার (১০ জুন) জুম’আর নামাজের পর ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে এ বিক্ষোভ মিছিল করে তারা। মিছিলটি শিমরাইল মোড় থেকে শুরু হয়ে মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ডাচ্ বাংলা টানিং পয়েন্টে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন কেন্দ্রীয় শরিয়াহ বিষয়ক উপদেষ্টা মাওলানা ওমর ফারুক সন্ধীপি, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মাওলানা দ্বীন ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সভাপতি বিল্লাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ আল ফারুক, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন থানা শাখার সভাপতি নূরুল আমিন দুলাল, যুব আন্দোলন থানা সভাপতি মাওলানা মোবারক হোসেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সভাপতি মুহা. খালেদ সাইফুল্লাহ সানভীর, মাওলানা নাসির উদ্দিন, মোজাম্মেল হক টিটু, বিল্লাল হোসেন তালুকদার প্রমুখ। সমাবেশে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন কেন্দ্রীয় শরিয়াহ বিষয়ক উপদেষ্টা মাওলানা ওমর ফারুক সন্ধীপি বলেন, ক্ষমতাসীন বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও নবীন কুমার জিন্দাল আমাদের মহানবী (সা.) ও উম্মুল মোমেমিন হযরত আয়েশা (রা.) কে নিয়ে আপত্তিকর কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন। তিনি অবিলম্বে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের জন্য অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করে ভারত সরকারকে মুসলিম উম্মাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনার আহবান জানান।
ফতুল্লায় বিক্ষোভ
মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) ও তার পরিবারকে নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দুই নেতার অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরান সড়কসহ ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলোতে বিক্ষোভ করেছে মুসুল্লিরা। দলমত নির্বিশেষে শুক্রবার (১০ জুন) জুম’আর নামাজের পর প্রতিটি পাড়া মহল্লার মসজিদের মুসুল্লিরা মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। তারা এক হয়ে ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের ফতুল্লা,পাগলা তালতলা, পঞ্চবটিসহ বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে।
বিশ্ব নবীর অপমান সইবেনা মুসলমান; নুপুরের ফাসী চাই; বিশ্ব নবীর হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেক বার; নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর ধ্বণিতে প্রকম্পিত হয়ে উঠে রাজপথ। হাজার হাজার মুসুল্লিরা যখন ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কে বিক্ষোভ করছিলো তখন সড়কে দু’পাশে আটকে পরা যানবাহন থেকে তাদেরকে সমর্থন করে করতালি দিতে দেখা যায় অনেক যাত্রীদের।মিছিলে শিশু, কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্করা পর্যন্ত অংশগ্রহণ করে।
বন্দরে বিক্ষোভ
ভারতের রাজনীতিবিদ নুপুর শর্মা কর্তৃক বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তি ও অবমাননার প্রতিবাদে বন্দরে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুন) জুম’আ নামাজ শেষে বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় পঞ্চায়েত ও আলেম ওয়ালামাদের নেতৃত্বে বন্দরে বিভিন্ন স্থানে এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বন্দর আমিন আবাসিক এলাকার পঞ্চায়েত ও মসজিদ কমিটি সভাপতি মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বন্দর আল আমিন জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতী শাহ রিয়াজুদ্দিন গনী, স্কুলঘাট জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতী আল আমিন, ডকইয়ার্ড জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব সুফী আলামীন হোসাইন প্রমুখ। আমিন আবাসিক এলাকার পঞ্চায়েত কমিটি ও যুব সংগঠনের কর্তৃক আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রেজারার্স জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি শরফি হাসান চিশতী, মহানগর যুবলীগ নেতা মাছুম আহাম্মেদ, ডালিম হায়দার, বন্দর আমিন আবাসিক পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান, মুফতী তারেক রহমান, আল আমিন জামে মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি ইব্রাহিম সরকার, মো. কবির হোসেন, আশাবুদ্দিন খান, অর্থ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার, যুব সংগঠনের পক্ষে নকিব, পারভেজ, রিয়াদ, হাসান, জুবায়ের হোসেন, আরমান শেখ, আকাশ, শাওন প্রমুখ। এছাড়াও বন্দরে মদনপুর চৌরাস্তায় মদনপুর ইউনিয়ন ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুফতি নুরউদ্দিনের নেতৃত্বে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার মুসল্লী অংশ নেয়। সাবদী বাজার এলাকায় কলাগাছিয়া ইউনিয়ন আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের ব্যানারে সাবদি,নরপদি, দীঘলদি, হাজরাদীসহ আশপাশের গ্রামের আলেম ওয়ালামা ও মুসল্লিদের অংশগ্রহণে প্রতিবাদ সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন, মসজিদে তাকওয়ার খতিব ও ইমাম আলহাজ্ব মাওলানা নুর উদ্দীন আফসারী, ইউনিয়ন আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত কর্মী মেহেদী হাসান সোহেলের ব্যবস্থাপনায় প্রতিবাদ মূখর বক্তব্য রাখেন, কলাবাগ জামে মসজিদের মাওলানা মো. আরিফুর রহমান। বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমস্ত মুসলিম জাতির নয়নের মনি। যার সৃষ্টি না হলে এ দুনিয়ার কিছুই সৃষ্টি হত না। তাকে নিয়ে ভারতের সেই কুলাঙ্গার নুপূর শর্মার অবমাননাকর মন্তব্যে আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমরা ভারতীয় প্রশাসনের নিকট ওই কুলাঙ্গার নারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। নাহয় এই ময়দান থেক হুংকার দিচ্ছি, মুসলমান দেখেছেন মুসলামানদের শহীদ হওয়া দেখেন নাই। মুহাম্মদ (স.) এর উম্মতেরা তার জন্য মুহুর্তেই জীবন দিতে প্রস্তুত রয়েছে। অতএব সাবধান হয়ে যান। শান্তিপ্রিয় মুসলমানদের অশান্ত করবেন না। আমরা একবার লড়াইয়ে নেমে গেলে পৃথিবীর কোন শক্তি আমাদের রুখতে পারবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com