Logo
HEL [tta_listen_btn]

ইনস্টলেশন অনুষ্ঠানেসমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী দেশের মানুষ গৃহহীন থাকবে না

ইনস্টলেশন অনুষ্ঠানেসমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী দেশের মানুষ গৃহহীন থাকবে না

নিজস্ব সংবাদদাতা
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বলেছেন, বাংলাদেশের একটি মানুষকে গৃহহীন থাকতে দেওয়া হবে না।যেখানে খাস জমি আছে, সেখানেই ঘর করে দিচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যখন খাস জমি শেষ হয়ে যায়, তখন এই গৃহহীনদের জন্য ৩ থেকে ৫ শতাংশ জমি কিনে গৃহের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। শহরের আলী আহম্মেদ চুনকা পাঠাগারে শুক্রবার (২৯ জুলাই) রাত ১০টার দিকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু। তার ভাষ্য মতে, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে যে ইস্তেহার দেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশের একটি মানুষকেও গৃহহীন থাকতে দেওয়া হবে না। তা বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার সাথে আপনাদের এই রোটারীয়ানদের চিন্তাও একটি বিরাট মিল রয়েছে। কারণ, আপনারাও চান, পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলোকে প্রতিষ্ঠিত করতে। রোটারী ক্লাব অফ রাজধানী সোনারগাঁওয়ের আয়োজনে ২১ তম ইনস্টলেশন অনুষ্ঠান হয়। এর আগে কোরআন তেলওয়াত ও গীতাপাঠের মধ্যদিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। জাতীয় সঙ্গিত পরিবেশনের পর শুরু হয় পরিচয় পর্ব। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে আলোচনা সভা শুরু হয়। রোটারি ক্লাব অফ রাজধানী সোনারগাঁ সভাপতি তাবাসসুম ফেরদৌসীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর ইঞ্জিনিয়ার এম এ ওহাব, নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজমুল হাসান প্রমুখ।
নারায়ণগঞ্জ এসে প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, বঙ্গবন্ধু ক্ষমতা গ্রহণের পরই সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো সরকারি ঘোষণা করেছিলেন এবং স্কুলের শিক্ষকদের সরকারী কর্মচারী হিসেবে নিয়েছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে নিজস্ব বাসস্থান, নিজস্বভাবে বেঁচে থাকার অধিকারসহ এদেশের মানুষের সার্বেক উন্নয়ন। কিন্তু নির্মম ভাবে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়নি। আজকে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন। বঙ্গবন্ধুর পথ ধরে সারাদেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে শিক্ষার আলো দেখানোর জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়ানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বিদ্যালয় গুলোর সকল শিক্ষার্থীদেরকে উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এখন ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ৬০ ভাগ শিক্ষার্থীকেই উপবৃত্তি দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৪০ ভাগ দেওয়া হয় নারীদের। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুদাপন করেছেন, নারীরা যদি শিক্ষিত না হয়, তাহলে দেশ এগিয়ে যাবে না। তিনি বলেন, কেউ যদি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের এক কালিন ৫০ হাজার টাকা সাহায্য দেওয়া হয়। এ জন্য রোগী ও তার স্বজনদের উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরে গিয়ে আবেদন করতে হবে। অতি প্রয়োজনে সেই আবেদন আমার কাছেও করতে পারেন। শিক্ষা ক্ষেত্রেও অতিদরিদ্র শিক্ষার্থীর জন্য আবেদন করলে এক কালিন সাহায্য দিয়ে থাকি। ঠিক এমনই ভাবে প্রতিবন্ধীদের হুইল চেয়ার দেওয়া হচ্ছে। আপনাদের কাছে যদি কখনো এমন কেউ আসে, তাহলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করালে ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। ক্লাবের সদস্য ডা. শফিউল আলম ফেরদৌস ও হাফিজুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রোটারী ক্লাবের সাবেক সভাপতি জামাল উদ্দিন, ডিজিই আশরাফুজ্জামান নান্নু, সাবেক সভাপতি নুরুল কবির, হাফিজুর বিপ্লব, সাবেক সভাপতি আব্দুল বারি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে রোটারীয়ানদের নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু বলেন, রোটারি ক্লাব অফ রাজধানী সোনারগাঁ, আমার এলাকায় যে টুকু কাজ করেছেন। এতেই বুঝা যায়, সারা পৃথিবী জুড়ে আপনারা কি করছেন। মহামারির সময় যখন বাবা অসুস্থ্য হলে মা অন্য ঘরে থাকতেন, মা অসুস্থ্য হলে সন্তানরা বের করে দিতেন। তখন রোটারীয়ানরা ছুঁটে গিয়েছেন, সাধারণ মানুষের ঘরে। সকল কাজেই যখন রোটারীয়ানরা আগে, তখন ব্যবসায়ীদের টনক নড়ে, শিল্পপতিরা জেগে উঠে। সরকার তাদের কাছ থেকে সাহায্য পান। সেই রকম উদহারণ এই রোটারী ক্লাব বারবার আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন। সকল স্ট্যান্ডাট কাজেই রোটারিয়ানরা হলো পথ প্রদর্শক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com