Logo
HEL [tta_listen_btn]

বক্তাবলীর গোপালনগর রণক্ষেত্র ২ গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১৫  গুলিবিদ্ধ ২ 

বক্তাবলীর গোপালনগর রণক্ষেত্র ২ গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১৫  গুলিবিদ্ধ ২ 

দেশের আলো রিপোর্ট
বিবদমান ২ গ্রুপের সংঘর্ষে ফতুল্লা উপজেলার বক্তাবলীর গোপালনগর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,বক্তাবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শওকত আলীর আর্শীবাদপুষ্ট জাকির ও সামেদ আলী সমর্থিত কাদির বাহিনীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ সকাল ৯টার দিকে সেখানে গেলে তাদের উপর ককটেল বিস্ফোরণসহ ইট, টেটা ছুড়ে মারে জাকির বাহিনী। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। দু’গ্রæপের সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়, এছাড়া পুলিশসহ আহত হয়েছে আরও ১৫ জন। সোমবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে সদর উপজেলার উত্তর গোপালনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধরা হলো, আবুবক্কর (৩৫) ও আফজাল (৪০) । ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ফতুল্লা মডেল থানার ইনচার্জ শেখ রিজাউল হক দিপু জানান, পূর্বের রেশ ধরে সামেদ আলী বাহিনীর সাথে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলীর সমর্থিত জাকির গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উভয় গ্রæপকে ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ দিলে সামেদ আলী বাহিনী পিছু হটে যায়। তবে একটি পরিত্যাক্ত ইট ভাটার ভিতর থেকে চেয়ারম্যান সমর্থিত জাকির বাহিনী পুলিশের উপর ককটেল ছুড়ে মেরে বিস্ফোরণ ঘটায় একই সাথে টেটা ও ইটের সুরকি ছুড়ে মারে পুলিশ সদস্যদের উপর। এসময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। তবে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি বলে তিনি জানান। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে থাকলে ও জাকির বাহিনী ইট ভাটার ভিতরে থেকে আক্রমন করছে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার শওকত চেয়ারম্যানের বাড়িতে সামেদ আলী বাহিনী হামলা চালিয়ে নারীসহ অন্তত ৬জনকে মারধর করে আহত করে। এসময় চেয়ারম্যানের ভাতিজার বাড়ি ভাংচুর করা হয়। জানাযায়, ফতুল্লার একটি ভয়ঙ্কর এলাকার নাম আকবরনগর। এ এলাকায় ইট খোলায় চাঁদাবাজী ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে সামেদ আলী ও রহিম হাজী নামে দু’টি গ্রæপের মধ্যে প্রায় সময় সংঘর্ষ হয়। এতে একাধিক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এদের মধ্যে সামেদ আলী গ্রæপকে সরাসরিই স্থানীয় বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী শেল্টার দিতেন। তার শেল্টারের কারণে আকবরনগরসহ বক্তাবলী ইউনিয়নে মাদক ব্যবসা, ইটখোলায় চাঁদাবাজীসহ নানা ধরণের অপরাধে বেপরোয়া হয়ে উঠে সামেদ আলী বাহিনী। এলাকাবাসী জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শওকত চেয়ারম্যানের বাড়িতে সামেদ আলী বাহিনীর লোকজন হামলা চালিয়ে বাড়ি ঘর ভাংচুর করেছে। এসময় প্রতিবাদ করায় শওকত চেয়ারম্যানের ভাতিজার স্ত্রীসহ অন্তত ৬জনকে মারধর করেছে।
সে সময় সামেদ আলী জানান, কিছুই হয়নি। একটু বাগবিতন্ড হয়েছে। চেয়ারম্যানের ভাতিজা একটু বাড়িয়ে বলেছে। সেই চায় এলাকার লোকজনের সঙ্গে ঝগড়া ঝাটি করতে। আমার লোকজনদের আমি শান্ত থাকতে বলেছি। অপরদিকে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী জানান, বক্তাবলী বাজারের এক দোকানদারের কাছ থেকে বেশ কয়দিন আগে ১ হাজার টাকা ধার নিয়ে সামেদ আলীর লোকজন আরেক মাদক বিক্রেতাকে দিয়েছে। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আমার আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে তর্ক হয়। এনিয়ে কয়েকশ’ লোকজন নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র হাতে আমার বাড়িতে হামলা চালায় সাদেম আলী বাহিনী। তখন আমার ভাতিজার বাড়ি ভাংচুর করেছে। প্রতিবাদ করায় আমার ভাবি, ভাতিজা ও ভাতিজার স্ত্রীসহ ৬/৭ জনকে মারধর করেছ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com