Logo
HEL [tta_listen_btn]

জি.কে শামীমসহ ৭ জনের যাবজ্জীবন

জি.কে শামীমসহ ৭ জনের যাবজ্জীবন

সোনারগাঁ সংবাদদাতা
অস্ত্র আইনে রাজধানীর গুলশান থানায় জি.কে শামীমসহ তার ৭ দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে করা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদÐ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। রাজধানীর গুলশান থানায় করা অস্ত্র আইনের মামলায় দেওয়া হয় এই দÐ। একই সঙ্গে সব আসামীর লাইসেন্স করা অস্ত্র রাষ্ট্রের অনুক‚লে বাজেয়াপ্ত হয়েছে। রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয় জি.কে শামীমকে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন আদালতের পেশকার গোলাম নবী। যাবজ্জীবন কারাদÐ পাওয়া অন্য আসামীরা হলো, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন। এরা সকলেই জি.কে শামীমের দেহরক্ষী। এর আগে গত ২৮ আগস্ট মামলাটির যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম রায় ঘোষণার তারিখ ঠিক করেছিলেন।২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে ৭ দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার হন জি.কে শামীম। নিকেতন এ-বøকের ৫নং রোডের ১৪৪নং বাড়িতে তার অফিসে ১১ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‌্যাব। এসময় তার কার্যালয় থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭শ’ ৫২ সিঙ্গাপুরের ডলার, ১শ’ ৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়।
পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে ৩টি মামলা করে র‌্যাব। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়ার ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাগুলো বিচারাধীন।
এরপর ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক অস্ত্র মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামীদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগপত্র করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। এ মামলায় ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামী আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েছে মর্মে ডকুমেন্ট দেখালেও তা যাচাইয়ে তার সঠিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ওই অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এসএম বিল্ডাস কোম্পানিতে যোগদান করেন তিনি। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি জি.কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগদান করে কাজ করে আসছিলেন। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন। এছাড়া অন্যান্য আসামীরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতেন। এর মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com