Logo
HEL [tta_listen_btn]

লোডশেডিং  রিচার্জেবল পণ্যের দাম বাড়ছে

লোডশেডিং  রিচার্জেবল পণ্যের দাম বাড়ছে

দেশের আলো রিপোর্ট
চলমান লোডশেডিং এখন মানছে না কোনো শিডিউল। শুরুতে ১ থেকে ২ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কথা বলা হলেও এলাকা ভেদে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা বা তার বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। ফলে দাম বাড়ছে রিচার্জেবল ফ্যান, লাইটসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) ডিআইটি ঘুরে দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগের তুলনায় বেড়েছে রিচার্জেবল ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দাম। এ সুযোগে বিক্রেতারাও বাড়িয়েছেন এসব পণ্যের দাম। দাম বাড়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে ডিআইটি মার্কেটের এক ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের কেনা বেশি, তাই বিক্রিও করতে হয় বেশি দামে। আমরা তো আর লোকসান দিতে পারি না। মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, গুণগতমান ও আকৃতি ভেদে রিচার্জেবল ফ্যান বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায়। রিচার্জেবল লাইট বিক্রি হচ্ছে ৪শ থেকে ৮শ’ টাকা দরে। অন্যদিকে বিক্রি বেড়েছে আইপিএস ও ইউপিএসের। তবে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রিচার্জেবল ফ্যানের। সে কারণে ২ মাস আগেও যে ফ্যান বিক্রি হতো ১ হাজার ৫শ’ টাকায় সেটি এখন ২ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাইট আগে যেখানে ছিল ২শ’ ৫০ থেকে ৩শ’ টাকা, এখন সেটি বিক্রি হচ্ছে ৪শ’ থেকে ৮শ’ টাকায়। আইপিএস, ইউপিএস বিলাসবহুল পণ্য হওয়ায় খুব বেশি না বাড়লেও এসব পণ্যে গড়ে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা দাম বেড়েছে। সেলিম ইসলাম নামে এক ক্রেতার সঙ্গে কথা হয়। তিনি একটি রিচার্জেবল ফ্যান কিনতে এসেছিলেন। তিনি বলেন, প্রতিটা ইলেকট্রনিক্স আইটেমের দাম বেশি। অথচ এসব দোকানে প্রায় সবই স্টকের মাল। কাজেই আমদানি মূল্য বাড়ার কথা বলা হলেও সেটি আসলে সঠিক না। নিশা বেগম নামে আরেকজনের সঙ্গে কথা হয়। তিনি এসেছিলেন রিচার্জেবল লাইট কিনতে। তিনি গার্মেন্টসে স্বল্প বেতনে চাকরি করেন। তিনি বলেন, বাসায় ছোট একটা বাচ্চা আছে। বিদ্যুৎ চলে গেলেই কান্নাকাটি করে। আলো দেখলে কাঁদে না। একটা লাইট কিনতে এসেছি। দাম বেশি চায়। একটা ফ্যানও কেনা দরকার। ভূঁইয়া ইলেকট্রনিক্সের মালিক আব্দুর রহমান বলেন, যখন স্বাভাবিক ছিল পরিস্থিতি, তখন লোকসানে পণ্য বিক্রি করেছি। এখন তো দাম বেড়েছে, কিছু করার নেই। বিক্রি বেড়েছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বেড়েছে বিষয়টা তেমন না, যার দরকার সেই কিনছে মূলত। তবে বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আমদানি প্রক্রিয়ায় জটিলতা ও ডলারের দাম বাড়ায় এসব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। আর ক্রেতারা বলছেন, মূলত লোডশেডিংয়ের সুযোগ নিয়েই বিক্রেতারা তাদের গলা কাটছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com