Logo
HEL [tta_listen_btn]

জেলা আ’লীগের সম্মেলনে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আসল খেলা হবে ডিসেম্বরে হাইকে সভাপতি ও বাদলকে সম্পাদক ঘোষণা

জেলা আ’লীগের সম্মেলনে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আসল খেলা হবে ডিসেম্বরে হাইকে সভাপতি ও বাদলকে সম্পাদক ঘোষণা

দেশের আলো রিপোর্ট –
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খেলা হবে, কী খেলা হবে? ভোট চুরি ও ভোট জালিয়াতির বিরুদ্ধে খেলা হবে। দুর্নীতি লুটপাটের বিরুদ্ধে খেলা হবে, বিএনপির বিরুদ্ধে খেলা হবে। আসল খেলা হবে ডিসেম্বরে। কত মানুষকে তোমরা হত্যা করেছো। আজ বড় বড় কথা বলো। আবার তারা নাকি বাধা পাচ্ছে। আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে থেকে আমাদের পিটিয়ে উঠিয়ে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে খেলা হবে। রোববার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ওসমানী স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদলকে পুণরায় জেলা কমিটির এই দুই পদে বহাল রাখার ঘোষণা দেন তিনি। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমÐলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, লাখ লাখ আপনাদের সঙ্গে নেই। আমাদের সঙ্গে আছে। তত্ত¡াবধায়ক সরকারের স্বপ্ন ভুলে যান। এ লাখ লাখ লোক নিয়েই খেলা হবে। ডিসেম্বরে বিজয়ের মাস। জনতার বিজয়ের জয়োধ্বনি শুনতে পারবেন। তিনি বলেন, আমার ভালো লাগছে। শামীম ফাইটার পলিটিশিয়ান। তার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের পরপর ৩ বার নির্বাচিত মেয়র। তাদের একই মঞ্চে দেখছি। আমার আসা সার্থক হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের শক্তি এরা। আগামীতে কঠিন দিন আসছে।তিনি আরও বলেন, তত্ত¡াবধায়ক সরকার ভুলে যান। সারা পৃথিবীতে যেভাবে নির্বাচন হয় সেভাবেই হবে। সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। ওবায়দুল কাদের বলেন, এর আগে কী এ সংকট ছিল। এ সংকট বৈশ্বিক। শেখ হাসিনার ঘুম নেই। শেখ রেহানা এখনও বাসে চেপে যাতায়াত করে। তাদের ঘুম নেই আপনাদের জন্য, জনগণের জন্য। এটা মনে রাখবেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, কমিটি একটা হবে। নতুন নেতা আসতে দেন। বসন্তের কোকিল আছে দুঃসময়ের লোক নেই। কিছু মানুষ টাকা ছাড়া কিছু বোঝে না। আর কত টাকা দরকার। মানুষ সব লক্ষ্য করে। কে কি করে তা শেখ হাসিনাও জানে। পদ বাণিজ্যের কথা যেন না শুনি। ডেকে ডেকে পকেটের লোক বসাবেন তা চলবে না। এবার তদন্ত করে খোঁজ খবর নেব। পয়সা খেয়ে কমিটি করা লোকদের আমাদের প্রয়োজন নেই। ভালো হয়ে যান, নিজেদের সংশোধন করুন। যারা এখন ভিড় করে দুঃসময়ে তাদের ৫ হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও খুজে পাওয়া যাবে না। এমন নেতাদের কী আমাদের দরকার আছে? দরকার নেই। নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাইয়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এড. আবু হাসনাত মো. শহিদ বাদলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমÐলীর সদস্য কামরুল ইসলাম এমপি,আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস এমপি,মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ এমপি, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যকরী সদস্য এড. রিয়াজুল কবীর কাওছার, আনোয়ার হোসেন, সাহাব উদ্দীন ফরাজী, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের এমপি বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক), নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি একেএম শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র (উপমন্ত্রী পদমর্যাদা) ডা. সেলিনা হায়াত আইভী, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু।
সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমÐলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে না বিএনপি। কারণ, তাদের পায়ের নিচে মাটি নেই। আমরা নির্বাচনে যাব। সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন করবো। তিনি বলেন, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে সারা পৃথিবী আজ টালমাটাল। একজন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগও করেছেন। কিছু কিছু মিডিয়া বিএনপির সমাবেশ দেখে বেহুশ হয়ে পড়েছেন। তারা ভাবছে তত্ত¡াবধায়ক সরকার আসবে। বাংলাদেশে প্রতিদিন আওয়ামী লীগের সম্মেলন হচ্ছে। বিএনপির কোন সমাবেশ থেকে আজকের এই সম্মেলন ছোট?
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পৃথিবীর সম্মানিত ব্যক্তি উল্লেখ করে তার উন্নয়নের ধারা রক্ষা করার আহŸানও জানান আব্দুর রাজ্জাক।দীর্ঘদিন পর নারায়ণগঞ্জে সম্মেলনে আপনাদের উচ্ছ¡াস দেখছি। নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবার সবসময় আওয়ামী লীগকে লালন করেছে। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে আমরা তা দেখতে পাই। বাঙালিরা কোনোদিন স্বাধীন ছিল না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সামনের কাতারে থেকে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছেন। সকল আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জের মানুষ ভূমিকা রেখেছে। আজকের এ চিত্র প্রমাণ করে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি ছিল। ভবিষ্যতেও তা থাকবে। রাজ্জাক আরও বলেন, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ বিএনপি কোনো উন্নয়ন করতে পারেনি। তারেক জিয়ার ছাত্রদল-যুবদলের সন্ত্রাসে সারা দেশ প্রকম্পিত হয়েছিল। ২০০৯ সালের নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম পদ্মাসেতু করবো, দেশকে সন্ত্রাসমুক্ত করবো। আজ আমরা তা করছি। এখন কার্তিক মাস। অতীতে যুগ যুগ ধরে দেখেছি এসময় মানুষ না খেয়ে থাকত। গত ১৪ বছরে একজন মানুষ না খেয়ে রয়েছে একজনও এ প্রমাণ দিতে পারবে না। নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, আমরা বাংলাদেশের জন্য কাজ করেছি, উন্নয়নের শেষ নাই। সারা বাংলাদেশে যেমন উন্নয়ন হয়েছে, মেঘা প্রজেক্ট হয়েছে। তেমনি আমাদের নারায়ণগঞ্জেও উন্নয়ন হয়েছে, নানান মেঘা প্রজেক্ট হয়েছে। আমরা কোন অংশে কম নই। আজ মাননীয় সেতু মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ কারণ তিনি আমাদের নারায়ণগঞ্জের জন্য যা করেছে, এতে আমরা অনেক লাভবান হয়েছি। শুধু আওয়ামী লীগ না, বিরোধীদলের লোকজনও এই উন্নয়নের সুবিধা ভোগ করছে। যারা এই সুফলভোগ করছেন তারা আগামী নির্বাচনে আমাদের দিকে তাকাবেন, আমাদের দেশের জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকাবেন। কারণ বিগত ৫০ বছরেও এই ধরণের উন্নয়ন আসে নাই। যেটা আমরা এই ১৪ বছরে করেছি। তাই আমরা বলতে চাই আপনারা উন্নয়ন দেখে ভোট দিবেন। তিনি আরও বলেন, আজকে জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, এটা আমাদের কারণে দাম বাড়েনি। ইক্রেনের যুদ্ধের কারণে এসব দাম বেড়েছে, তেলের দাম বেড়েছে। বৈশ্বিক কারণে দাম বেড়েছে, আমাদের কোন কারণে দাম বাড়েনি। তাই আমরা বলতে চাই, আপনারা আমাদের উন্নয়নের দিকে তাকিয়ে ভোট দিবেন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, এই আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছিলো নারায়ণগঞ্জে, আওয়ামী লীগ নারায়ণগঞ্জের সূঁতিকাগার। নারায়ণগঞ্জ থেকে মিছিল না গেলে ঢাকায় কোন সংগ্রাম আন্দোলন হয়নি। এসব আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন আমাদের সংগ্রামী নেতা একেএম শামসুজ্জোহা, পৌর পিতা আলী আহমদ চুনকাসহ অনেকে। আওয়ামী লীগের এই ক্লান্তিলগ্নে যখন দেশ বিদেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করার জন্য। সেই সময়ে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো। নামে নামে ¯েøাগান নয়। শেখ হাসিনার নামে ¯েøাগান দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, এখানে আসার পর যা দেখলাম, শুধু ভাই আর ভাইদের ¯েøাগান। নেত্রীর ¯েøাগান দেখলাম না একবারও। যে না থাকলে এই বাংলাদেশ থাকবে না, এইখানে দাঁড়িয়ে কেউ কথা বলতে পারবো না। সেই নেত্রী আমাদের ভরসার স্তর, তার কথা বলুন। নিজেদের শক্তির প্রদর্শন করার প্রয়োজন নাই। জনগণের কাছে যেতে হবে। আওয়ামী লীগের সকল কর্মকান্ড তুলে ধরতে হবে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর পদ্মা সেতু থেকে বঙ্গবন্ধু টানেল, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ সকল উন্নয়ন তুলে ধরতে হবে। ¯েøাগানে ¯েøাগানে মুখরিত হতে হবে বঙ্গবন্ধু আর শেখ হাসিনা, এর বিকল্প নাই। এক্যবদ্ধ রাজনীতির বিকল্প নাই। নারায়ণগঞ্জেও আমরা তাই চাই। খুন, গুম ও হত্যার রাজনীতি বন্ধ করে দিয়ে, সাধারণ মানুষের রাজনীতি চাই। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান বলেন, আমার আর চাওয়া পাওয়ার কিছু না। আমার বড় ভাই একেএম নাসিম ওসমানের নামের সেতু উদ্বোধনের সময়ে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে আমাদের পরিবারকে স্মরণ করেছেন, এরপর আর চাওয়ার বাকি নাই। শামীম ওসমান বলেন, সেদিন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি ছিল। খান সাহেব ওসমান আলী ও একেএম শামসুজ্জোহা ঘাঁটি ছিল। ছিল বলেছেন, আমরা আর ছিলতে থাকতে চাই না। আমরা প্রমাণ করতে চাই নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি ছিল, আছে ও থাকবে। তিনি বলেন, মানুষ আর হাইব্রিডের ধাক্কা খেতে চায় না। তৃণমূলের মূল্যায়ন চায়। কমিটিতে যেন তৃণমূলদের মূল্যায়ন করা হয়। আমি প্রধান অতিথিকে বলবো আপনারা নির্দেশ দিবেন। তিনি আরও বলেন, আকাশে শকুন উড়ছে, বাংলাদেশের মানচিত্রকে থাবা দিবে। তাই আমাদের প্রমাণ করতে হবে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি ছিল, আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ্।এমপি শামীম ওসমান বলেন, বোমা হামলায় দুই পা উড়ে গিয়েছিল, সেই চন্দন শীলকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বানানো হয়েছে। তাতে আপনার খুশি হন নাই? খুশি হয়েছেন কারণ তৃণমূল, এমনকি আনোয়ার ভাই খুশি হয়েছেন এবং হাই ভাইও খুশি হয়েছেন।আমি অনুরোধ করবো, গত কমিটিতে এমন লোক ছিল যে, আমি নিজের শামীম ওসমানও তাকে চিনি নাই। খোকন সাহা কে জিজ্ঞেস করেছিলাম এটা কে? এমপি বলেন, শেখ হাসিনা এখন আওয়ামী লীগের সম্পদ না। শেখ হাসিনা এখন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, আমার বাচ্চার ভবিষ্যৎ। তাই শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য তৃণমূলের সব নেতাকর্মীকে স্থান দিতে পারবেন না, কিন্তু তারপরও যারা অতিরিক্ত ত্যাগী, সব জায়গা থেকে তাদেরকে নিয়ে যদি কমিটি করা হয়। তাহলে আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখে, আগামীতে জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা যখন আবার নারায়ণগঞ্জে এসে ভাষণ দিবেন, তখন তিনি বলবেন, নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি ছিল নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি আছে এবং থাকবে।আর ঐ বিএনপি-জামাতের আস্ফালন, আমি কাদের ভাইকে বলতে চাই আপনার নির্দেশ দিবেন নারায়ণগঞ্জবাসী আপনাদের নির্দেশের অপেক্ষায় বসে আছে। কখন রাজপথে নামতে হবে আমরা প্রস্তুত আছি। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু বলেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের বলতে চাই, বাংলাদেশ আপনার আমার ত্যাগের মহিমার প্রতিফলন ঘটায়। বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু কন্যার সাধনার সাধক। আজকের কমিটিতে যারাই আসবে তাদেরই সু-স্বাগতম জানাই। তিনি আরও বলেন, কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বাইরে যারা থাকবে, আমি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দদের কাছে অনুরোধ করবোএমন মানুষকে রাখবেন যারা জনগণের সাথে সম্পৃক্ত, ভালো মানুষ এবং ভালো নেতা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com