বন্দর সংবাদদাতা:
নারায়ণগঞ্জের বন্দর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজিম আহাম্মেদের একমাত্র পুত্র জিসান ও তার বন্ধু মিহাদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় র্তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বন্দর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। বুধবার (১২ আগষ্ট) বিকেলে গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে এক বিবৃত্তির মাধ্যমে এ হত্যাকান্ডের র্তীব্র নিন্দা জানান প্রেসক্লাবের কর্মকর্তারা। বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোবারক হোসেন কমল খান এক বিবৃত্তিতে জানান, খুন গুম করে সাংবাদিকদের কন্ঠস্বর কখনো রোধ করা যাবে না। প্রশাসনের কাছে আমাদের জোরালো দাবি হত্যাকারি যে হোক সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত খুনিদের চিহিৃত করতে হবে। বন্দর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজিম আহাম্মেদের পুত্র স্কুল ছাত্র জিসান ও আমার ভাতিজা কলেজ ছাত্র মিহাদ হত্যা মামলার প্রকৃত আসামীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি জানাই আমরা উল্লেখ্য, গত ১০ আগষ্ট শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বপড়ের বন্দরের ইস্পাহানী ঘাট এলাকার সামাদ সরদারের ছেলে বড় শামীম গ্রæপের সাথে একই এলাকার রবিউল মিয়ার ছেলে অন্তর গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ওই সময় একপক্ষের ধাওয়া খেয়ে আত্মরক্ষার জন্য শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ দেয় মিহাদ ও জিসান শিক্ষার্থী। এদিকে মিহাদ ও জিসান নদী থেকে উঠে গেছে এমনটি ভেবে স্থানীয় লোকজন তেমন একটা গুরুত্ব দেয়নি। তবে রাতে তারা বাড়িতে ফিরে না যাওয়ায় স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে জানতে পারে সংঘর্ষ ও ধাওয়ার ঘটনায় তারা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিল। এসময় তাদের খোঁজে শীতলক্ষ্যার তীরে বাড়তে শুরু করে জনসমাগম। পরে ওই দিন রাত সাড়ে ১০টায় স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় বন্দর থানা পুলিশ শীতলক্ষা নদী থেকে ওই দুই শিক্ষার্থী লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বন্দর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক কাজিম আহাম্মেদ বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ্য করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ লাশ উদ্ধারের ওই রাতে নবীগঞ্জ বাগবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই শিক্ষার্থী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৬ আসামীকে গ্রেপ্তার করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরন করলে বিজ্ঞ আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।