ভ্রাম্যমান সংবাদদাতা:
কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের নিহতের ঘটনাকে ‘হত্যাকান্ড’ উল্লেখ করে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে গণসংহতি আন্দোলন। একই সাথে এই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদী মানববন্ধনের আয়োজন করে দলটির জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, নারী সংহতি আন্দোলন জেলা শাখার সদস্যসচিব পপি রাণী সরকার, কেন্দ্রীয় ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুজন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান, জেলা কমিটির সভাপতি শুভ দেব, ছাত্রনেতা রাকিবুল হাসান, কাওসার হামিদ প্রমুখ। দেশে সংঘটিত সকল ‘বন্দুকযুদ্ধের’ বিচার বিভাগীয় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, করোনাকালীন সময়ে পুলিশ বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই পরিস্থিতির পর নতুন করে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে আশা করেছিলাম। কিন্তু পরিবর্তন আমরা পেলাম না। ক্রসফায়ারের নামে হত্যার মতো ঘটনা অহরহ ঘটেই চলছে। যার অধিকাংশই ঘটছে টেকনাফে। ক্রসফায়ারের পর মাদক সংক্রান্ত বিষয় জড়িয়ে দেওয়া হয়। সাবেক মেজর সিনহা রাশেদের সাথেও একই ঘটনা ঘটেছে। তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে পুলিশ। তরিকুল সুজন বলেন, ২০১৩ সালে নারায়ণগঞ্জে ৭ খুন সংঘটিত হয়। র্যাবের দায়িত্ব ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অথচ সেই বাহিনী নূর হোসেনের মতো সন্ত্রাসীর পক্ষ নিয়ে কোটি কোটি টাকা খেয়ে সাত জন মানুষকে হত্যা করেছে। একরামুলের ক্রসফায়ার খুবই আলোচিত ঘটনা। এইরকম অনেক ঘটনা ইতিপূর্বে ঘটেছে এবং ঘটছে। সাদা পোশাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে খুন করার লাইসেন্স সংবিধান দেয় না। ক্রসফায়ারের নামে তারা যা করছে তা গুন্ডা বাহিনীর কাজ। আমরা মেজর সিনহাসহ সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছি
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।