নিজস্ব সংবাদদাতা:
সাবেক মন্ত্রী ও ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি রাশেদ খান মেননকে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিনেও এই ঘটনার বিচার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি এ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য আমিরুল হক। জেলা কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্ব ও সাধারণ সম্পাদক হিমাংশু সাহার সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যকরী কমিটির সদস্য মাঈনুদ্দিন বারী, এইচ রবিউল চৌধুরী, শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গীর আলম গোলক, হুমায়ূন কবির প্রমুখ। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলেও মেনন খানকে হত্যাচেষ্টার ঘটনার বিচার না পাওয়াতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃবৃন্দ। আগামী এক বছরের মধ্যে এই ঘটনার বিচার না পেলে জোটে থাকবেন কিনা তা ভেবে দেখতে হবে বলে মন্তব্য করেন তারা। সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুল হক বলেন, ১৭ আগস্ট সারাদেশে সন্ত্রাস বিরোধী দিবস পালিত হচ্ছে। ১৯৯২ সালের এই দিনে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই গুলি করা হয়। ষড়যন্ত্রকারীদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল তাকে হত্যা করা। দুর্ভাগ্যের বিষয় ২৮ বছর পার হওয়ার পরেও যারা রাশেদ খান মেননকে হত্যার জন্য গুলি করলো তাঁদের চিহ্নিত করা যায়নি। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি সেদিন যারা গুলি করেছিল তাঁদের সাথে যোগসাজশ ছিল বিএনপি জামাতের। বিএনপি জামাতের ছত্রছায়াতেই সেদিন এই হত্যার প্রচেষ্টা এবং গুলি চালানো হয়েছিলো। তাই বিএনপি জামাত সেটার বিচার করেনি। তবে আবারো দুর্ভাগ্য আজ আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পরেও বিচারের আওতায় আনার জন্য দাবি করতে হয়। ওয়ার্কার্স পার্টির এই নেতা বলেন, আগামী বছর আমাদের এই রাশেদ খান মেননকে যারা হত্যার জন্য পরিকল্পনা করেছিল তাদের বিচার করার জন্য দাবি করতে হয়, তাহলে এই ওয়ার্কার্স পার্টি ১৪ দলীয় সরকারের সাথে থাকবে কি থাকবে না সেটাও আমাদের ভাবতে হবে!
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।