Logo
HEL [tta_listen_btn]

ডিপিডিসি ফতুল্লা অঞ্চলের সাবেক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলার অনুমতি

ডিপিডিসি ফতুল্লা অঞ্চলের সাবেক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলার অনুমতি

ফতুল্লা সংবাদদাতা:
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা সার্কেলের সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মুশফিকুল আরেফিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতি, অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্তে নামে দুদক। তদন্ত শেষে স¤প্রতি মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন। বর্তমানে অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তা বরখাস্ত অবস্থায় রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মুশফিকুল আরেফিন চৌধুরী ২০১৫ সালে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে নিয়োগ পান। পরে বদলি হয়ে নারায়ণগঞ্জে আসেন। দীর্ঘদিন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। ফতুল্লায় থাকাবস্থায় তার বিরুদ্ধে তদন্তে নামে দুদক। দেড় বছর পূর্বে তাকে সেখান থেকে বদলি করা হয়। বর্তমানে রাজধানীর কাঁটাবনে পোস্টিং থাকলেও গত এক বছর যাবত বরখাস্ত আছেন তিনি। সূত্রমতে, ডিপিডিসির সহকারী প্রকৌশলী মুশফিকুল আরেফিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে দুদক। গত বছরের জুলাই মাসে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে দুদক। এর এক বছর পর চলতি মাসে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। এই মামলার তদন্তের জন্য দুর্নীতি দম কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক আজমেরী খানমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা সার্কেলের তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী কামাল হোসেন জানান, দেড় বছর আগে মুশফিকুল আরেফিন চৌধুরী এই সার্কেল থেকে বদলি হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। অভিযোগের মধ্যেই তাকে বদলি করা হয়। মাঝখানে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল বলেও জানালেন তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী কামাল হোসেন। যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ফতুল্লা সার্কেলের সাবেক সহকারী প্রকৌশলী (বর্তমানে কাঁটাবন সার্কেল) মুশফিকুল আরেফিন চৌধুরী প্রেস নারায়ণগঞ্জকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা। কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে অভিযোগ করেছিল। দুদক চলতি বছরের জানুয়ারিতে আমাকে চিঠি দিয়েছিল। আমি তাদের চিঠির উত্তরও দিয়েছি। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি মিরপুরে তার বাবার বাড়িতে থাকেন। ওই বাড়ি তার বাবা (সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা) ১৯৯০ সালে লোন নিয়ে তৈরি করেছিলেন বলে দাবি তার। তবে এই বাড়ি তিনি অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে তৈরি করেছেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুশফিকুল আরেফিন বলেন, আমার চাকরি হয়েছে ২০১৫ সালে। অথচ এই বাড়ি বাবা তৈরি করেছেন ১৯৯০ সালে। তাও ব্যাংক লোন নিয়ে। গত ১৭ আগস্ট দুদক তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনুসন্ধান চলছিল এ বিষয়টি আমি জানি। কিন্তু মামলার বিষয়টি জানি না। এমনটা হয়ে থাকলে সে অনুযায়ী আমি আগাবো। বরখাস্তের বিষয়ে তিনি বলেন, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত ইস্যুতে আমাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর সাথে দুর্নীতির অভিযোগের কোন সম্পর্ক নেই। গত এক বছর যাবত তিনি বরখাস্ত আছেন বলে নিশ্চিত করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com