বন্দর সংবাদদাতা:
উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে বন্দরে গৃহবধূ মিম (১৮)কে ফুসলিয়ে ভারতের এক পতিতালয়ে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনায় অবশেষে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। গত শনিবার (২২ আগষ্ট) রাতে দিনমজুর স্বামী দ্বীন ইসলাম বাদী হয়ে মানব পাচারের ঘটনায় দুই মানব পাচারকারি বিরুদ্ধে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন তিনি। যার মামলা নং- ২৩(৮)২০। জানা গেছে, দিনমজুর দ্বীন ইসলাম দৃীঘ দিন ধরে মাছ শিকার করে জীবন যাপন করে আসছে। গত ৮ মাস পূর্বে বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের সাবদী এলাকার মৃত হাফেজ মিয়ার মেয়ে মিমকে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে করি। করোনার কারনে রুজি রোজগারের কম হওয়াতে সংসারে অভাব অনাটন দেখা দেয়। সে সুযোগে গত ১১ আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আমার অবর্তমানে একই এলাকার মৃত মির আলম মিয়ার ছেলে দ্বীন ইসলাম দিলু (৩৫) ও ১নং মাধবপাশা এলাকার মনা মিয়ার মেয়ে শাহানাজ বেগম আমার স্ত্রী মিমকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে দুবাই নেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের করে এনে ভারতের এক পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয়। পরে আমার স্ত্রী পতিতালয় থেকে পালিয়ে এসে পুলিশের কাছে ধরা পরে। বর্তমানে আমার স্ত্রী ভারতের দমদম জেলে আটক রয়েছে বলে তিনি জানায়। এ ব্যাপারে বন্দর থানার অফিসার ইনর্চাজ ফখরুদ্দিন ভূঁইয়া জানান, আদম পাচারের ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা আদম পাচারকারিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছি। সে সাথে ভারতে পাঁচার হওয়া গৃহবধুকে উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।