Logo
HEL [tta_listen_btn]

জিসা মনি ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তা  প্রত্যাহার হলেও বহাল ওসি

জিসা মনি ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তা  প্রত্যাহার হলেও বহাল ওসি

নিজস্ব সংবাদদাতা:
নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সেই স্কুলছাত্রী জিসা মনিকে কথিত গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম আল মামুনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। জিসা মনি ফেরত আসার চারদিন পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা পরিদর্শক ইকবাল হোসেন এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি জানান, সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম আল মামুনকে প্রত্যাহার করে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এদিকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বহাল রেখে তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। সচেতন মহল বলছে, জিসা মনির এই ঘটনার দায় থানার ওসি এড়াতে পারেন না। তার তত্ত¡াবধানেই তদন্ত কার্যক্রম চালিয়েছিলেন এসআই শামীম। একই ঘটনায় সমান দায় রয়েছে ওসি মো: আসাদুজ্জামানেরও। গত ৪ জুলাই স্কুলছাত্রী জিসা মনি (১৫) নিখোঁজ হয়। এক মাস পর ৬ আগস্ট একই থানায় স্কুলছাত্রীর বাবা অপহরণ মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বন্দর উপজেলার বুরুন্ডি খলিলনগর এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ (২২) ও তার বন্ধু বুরুন্ডি পশ্চিমপাড়া এলাকার সামসুদ্দিনের ছেলে রকিবকে (১৯)। ওই দিনই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। একই ঘটনায় দুইদিন পর গ্রেপ্তার করা হয় বন্দরের একরামপুর ইস্পাহানি এলাকার বাসিন্দা নৌকার মাঝি খলিলকে (৩৬)। গত ৯ আগস্ট পুলিশ জানায়, স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয় আসামিরা। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় এ ঘটনা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। অথচ ২৩ আগস্ট দুপুরে বন্দরের নবীগঞ্জ রেললাইন এলাকায় সুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায় নিখোঁজ স্কুলছাত্রীকে। এ ঘটনায় চারদিকে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পুলিশের তদন্ত ও আদালতে দেওয়া জবানবন্দি প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এদিকে আসামিদের স্বজনরা অভিযোগ করেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম আল মামুনের অমানুষিক নির্যাতনের মুখে তারা ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। পুলিশ এই ঘটনা সাজিয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম আল মামুন আসামির স্বজনদের কাছ থেকে রিমান্ডের কথা বলে টাকা নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। জিসা ফেরত আসার ঘটনা ও রিমান্ডের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ তদন্তে ২টি কমিটি করেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম। পাশাপাশি উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম আল মামুনকে পরিবর্তন করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে পরিদর্শক আব্দুল হাইকে দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com