নিজস্ব সংবাদদাতা:
ইতিমধ্যেই ৭ খুনের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জে একটি বাহিনী বিতর্কিত। জিসা মনির মামলা নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে তা চলচ্চিত্রকে হার মানায়। প্রশাসনে অবশ্যই ইমানদার-সৎ লোকের অভাব রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, লাশ পায় নি, তারপরও বললো মৃত্যু হয়েছে সেটা মানলাম। ধর্ষণ করেছে সে ব্যাপারে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিলো, হত্যার বিষয়টিও জবানবন্দিতে ছিলো বললো। আবার সেই মৃত জিসা পায়ে হেটে ফিরে আসলো। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি অবশ্যই মনে করি, তদন্তকারী কর্মকর্তার গাফলতি রয়েছে। ৬ আগস্ট থানায় অপহরণ মামলা করেন জিসা মনির বাবা। একপর্যায়ে মেয়েটির মায়ের মোবাইল ফোনের কললিস্ট চেক করে রকিবের খোঁজ পায় পুলিশ। রকিবের মোবাইল নম্বর দিয়ে আব্দুল্লাহ জিসার সঙ্গে যোগাযোগ করত। ঘটনার দিনও ওই নম্বর দিয়ে কল করে আব্দুল্লাহ। এ ঘটনায় রকিব, আব্দুল্লাহ ও নৌকার মাঝি খলিলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিন আসামীকে ইতোমধ্যে একাধিক বার রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রেস ক্লাবের সভাপতি আরও বলেন, এখন যে ৩ জন অযথা রিমান্ডে গেলো, এতদিন জেল খাটলো তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিত এবং সেটা পুলিশের পক্ষ থেকেই দেয়া উচিত। কিছু কিছু কর্মকর্তার জন্য সম্পূর্ণ পুলিশ প্রশাসনেরই নাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। তাই আমি আশাবাদি পুলিশ সুপারের তদন্ত কমিটির মাধ্যমে আসল রহস্য সামনে আসবে।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।