Logo
HEL [tta_listen_btn]

দখলমুক্ত সম্পত্তিতে কুতুবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস

দখলমুক্ত সম্পত্তিতে কুতুবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস

নিজস্ব সংবাদদাতা:
ধনী জেলা নারায়ণগঞ্জের সবচেয়ে শিল্প ঘন এলাকা ফতুল্লা। এই ফতুল্লার বুড়িগঙ্গা নদী তীর ধরেই গড়ে উঠেছে কতুবপুর ইউনিয়ন। ব্যবসায়ীক গুরুত্বের পাশাপাশি বিশালতার দিক দিয়ে এই ইউনিয়ন সবচেয়ে বড়। রাজধানী ঢাকার পাশে হওয়ায় জনবহুলের দিক দিয়ে অন্যান্য অঞ্চল থকে কোন ভাবেই পিছিয়ে নেই এই কতুবপুর। কিন্তু একটি দিক দিয়ে এই অঞ্চল পিছিয়ে ছিল শতক বছর ধরে। যা প্রশাসনের তৎপরতায় প্রাপ্তি বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুন। এলাকাবাসীর পাশাপশি সেবা গ্রহিতা এবং দাতাদের উপস্থিতি এখন আগের তুলনায় অনেক সাচ্ছন্দতা বাড়িয়েছে। তা হচ্ছে এই ইউনিয়নের নিজস্ব জায়গায় নিজস্ব ভূমি অফিস। যা এতো দিন ছিল জরাজীর্ণ আর বেদখল। ১০ কোটি টাকার এই সম্পদ উদ্ধার হওয়ার পেছনে ছিল এলাকাবাসীর প্রত্যাশা আর প্রশাসনের তৎপরতা। যা অল্প ক‘দিনে সুফল বয়ে আনতে শুরু করেছে। এখন এই ইউনিয়নের ভূমি অফিসটি দৃষ্টিনন্দন হয়েছে। যা মডেল হিসেবে স্থান করে নিয়েছে অত্র জেলায়। এলাকাবাসী জানায়, বর্তমান কুতুবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসটির জায়গা এক বছর আগে উদ্ধার করা হয়েছে দখলদারদের কাছ থেকে। এর আগে এই জায়গাটির দখলে ছিল একটি চক্র। পাগলা মৌজার ১নং খাস খতিয়ানের আর এস ৩২৫ দাগের ৩৯ শতাংশের এই জমিটির এক পাশে নদীর তীর আর অন্য দিকে ঢাকা-পাগলা-নারায়ণগঞ্জ সড়ক। অর্থ মূল্যে জমিটি ১০ কোটি টাকা হলেও সুবিধাজনক দিক দিয়ে এই জমির অবস্থান অনেক মূল্যবান। জমিটির দখলদাররা ইট-বালুর ব্যবসা করছে এই অবৈধ জায়গার উপর। জমিটির দখলদারিত্ব ধরে রাখতে তারা রাতের আঁধারে ১০ লাখ ইট এনে জড়ো করে জায়গাটিতে। এতো গেলো সরেজমিনে দখলের ফিরিস্তি। এর বাইরেও তাদের তৎপরতা ছিল সমান হাড়ে। আদালত পর্যন্ত গিয়েছে অবৈধ দখলদাররা। কোন কিছুতেই যখন কিছু হচ্ছে না, তখন তারা নামে নতুন মিশনে। স্থিতি অবস্থা জারির জন্য আদালতে আবেদন করে। এমন তৎপরতা যখন অবৈধ চক্রটির তখন বসে থাকেনি প্রশাসন। একই সময় নেয় হয় চতুর্মুখী পদক্ষেপ। একদিকে ভেকু এনে তৈরী রাখা হয় মালামাল সরাতে। অন্যদিকে নিলামের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে দপ্তর। একই সঙ্গে শুনানি চলতে থাকে আদালতে। সব শেষে পিছুটান দিতে বাধ্য হয় অবৈধ দখলদার চক্রটি। প্রশাসনের কাজে আসে নতুন উদ্যম। সঙ্গে সঙ্গে ভবনের কাজে হাত দেয়া হয়। দুই কক্ষের একটি দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ কর হয় কয়েক মাসে। গত ৯ আগস্ট শুরু করে দেয়া হয় দাপ্তরিক কাজ। বর্তমানে ভবন এবং জায়গার রক্ষণাবেক্ষণ করে চলছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আর কর্মচারীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com