ফতুল্লা সংবাদদাতা
ফতুল্লায় অপহরণের ৫ দিন পর অপহৃতা স্কুল ছাত্রী (১২) কে উদ্ধারসহ অপহরণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে শাকিল (২১) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে পশ্চিম তল্লাস্থ নিজ বাড়ির সামনে থেকে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। গ্রেফতারকৃত শাকিল ফতুল্লা মডেল থানার পশ্চিম তল্লার ইদ্রিস আলীর পুত্র। শুক্রবার (৩ ফেব্রæয়ারি) দিবাগত রাতে তাকে পশ্চিম তল্লা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরআগে শুক্রবার রাতে অপহরণের অভিযোগ এনে অপহৃতা স্কুল ছাত্রীর মা বাদি হয়ে গ্রেফতারকৃত শাকিলসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরো ৩-৪ জনকে আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, বাদির মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী। বখাটে শাকিল তার মেয়েকে স্কুলে যাতায়াতের পথে প্রায় সময় উত্ত্যক্ত করতো এবং প্রেম নিবেদন করে আসছিলো। কিন্ত বাদির মেয়ে তা প্রত্যাখান করে।এতে বখাটে শাকিল ক্ষিপ্ত হয়ে উত্ত্যক্তের মাত্রা আরো বৃদ্ধি করে দেয়। ৩০ জানুয়ারি বিকেল ৪টার দিকে একটি সিএনজিযোগে শাকিলসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩-৪ জন বাদির মেয়েকে নিজ বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শাকিল একজন লম্পট চরিত্রের। ইতোপূর্বে সে এক গৃহবধূকে অপহরণ করে গণধর্ষণ করে। এ অপরাধে গ্রেফতার হয়ে জামিনে বেরিয়ে আসে। তার এ ধরনের কাজে তার মা ও বাবা নিশ্চুপ থেকে নিরব সহযোগিতা করে। শাকিলের লোলপদৃষ্টি থেকে ছোট-বড় কোন মেয়ে মানুষই বাদ পড়ে না। সে সবাইকে বিরক্ত করে থাকে। তার পরিবারকে জানালেও কোন প্রতিকার নেই। এলাকাবাসী আরও বলেন, আমরা শাকিলের অত্যাচার থেকে মুক্তি চাই। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার আনোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, শুক্রবার রাতে তল্লা এলাকা থেকে অপহৃতা স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারসহ গ্রেফতার করা হয়েছে অপহরণ মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামী শাকিলকে। শনিবার (৪ ফেব্রæয়ারি) গ্রেফতারকৃত শাকিলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জড়িত অপর আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।