ফতুল্লা সংবাদদাতা
তল্লায় ছুরিকাঘাত করে মোবাইল ও টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার সময় এক ছিনতাইকারীকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। বুধবার (৮ ফেব্রæয়ারি) ভোরে ফতুল্লার তল্লা নাঈম টেক্স গার্মেন্টস সংলগ্ন শুভ স্টোর মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। আটককৃত ছিনতাইকারীর নাম লিটন (৩৮)। সে ফতুল্লার তল্লা এলাকার শাহী মসজিদ রোডের আব্দুলের ছেলে। এসময় পুলিশ ছুরিকাঘাতে আহত ব্যক্তি ও ছিনতাইকারী দু’জনকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ছিনতাইকারী লিটনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে ছিনতাইয়ের কবলে পরে ছুরিকাঘাত হওয়া ব্যক্তির নাম রবিউল ইসলাম। চিকিৎসা শেষে ফতুল্লা মডেল থানায় এসে একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। আহত রবিউল জানায়, বুধবার ভোরের দিকে জামালপুর থেকে বাসে করে আসি। আমাকে জেলা পরিষদের সামনের রাস্তায় নামিয়ে দেয়া হলে অটোরিকশা করে তল্লা সবুজবাগস্থ ভাড়াটিয়া বাসায় যাচ্ছিলাম। এসময় সাথে স্ত্রী ও দু’মাস বয়সী সন্তান ছিলো। তল্লা নাঈম টেক্স গার্মেন্টস সংলগ্ন শুভ স্টোর মোড়ে পৌছামাত্র ছিনতাইকারীরা অটোরিকশার গতিরোধ করে আমাকে ছুরির ভয় দেখিয়ে ২৫শ’ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে আমার স্ত্রীর কানে ও গলায় হাত দিলে আমি বাধা প্রদান করলে আমাকে ছুরিকাঘাত করে। এসময় চিৎকার করলে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে আমাদের উদ্ধারসহ ছিনতাইকারীকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দেয়। ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহাদাৎ হোসেন জানান, বুধবার ভোরে জামালপুর জেলার গ্রামের বাড়ি থেকে এসে রবিউল ইসলাম তার স্ত্রী ও শিশু সন্তান নিয়ে ফতুল্লার তল্লা এলাকায় ভাড়াটিয়া বাসায় যাচ্ছিলেন। এরমধ্যে বাসার কাছাকাছি আসামাত্র দু’জন ছিনতাইকারী তাদের পথরোধ করে ছুরির ভয় টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। তখন ভুক্তভোগী রবিউল চিৎকার করলে তার হাতে ও কপালে ছুরিকাঘাত করা হয়। এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে একজনকে ধরে গণধোলাই দেয় আরেকজন পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে দু’জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।