Logo
HEL [tta_listen_btn]

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম

নিজস্ব সংবাদদাতা
রমজান উপলক্ষে দাম বেড়েছে লেবু, শসা, বেগুনসহ সবজির। বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি ও গরুর মাংস। তবে অপরিবর্তিত আছে অন্য সব পণ্যের দাম। শুক্রবার (২৪ মার্চ) শহরের দ্বিগুবাবুর বাজার ঘুরে এ দৃশ্য দেখা গেছে। রমজান উপলক্ষে বাজারে দাম বেড়েছে সবজির। লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, শসা প্রতি কেজিতে দাম ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। লম্বা ও গোল বেগুনের কেজি ১০০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা। শিমের কেজি ৪০-৫০ টাকা। আর করলার কেজি ১০০-১২০ টাকা, যা দুই সপ্তাহ আগে ছিল৮০-৯০ টাকা। আকার ভেদে লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। চাল কুমড়া প্রতিটি ৫০-৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০, পটল ৮০, ঢেঁড়স ১০০, কচুর লতি ১০০, পেঁপে ৩০-৪০, বরবটি ১২০ ও ধুন্দুল ৫০-৬০ টাকা কেজি। পাতা কপি ৩০-৪০ টাকা পিস। আর কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকা।
সবজি বিক্রেতা মো.আল-আমিন বলেন, কিছু সবজির দাম বাড়তি আছে। আগেই বলেছিলাম রোজা উপলক্ষে সবজির দাম বাড়বে। লেবু, শসা ও বেগুনসহ সবজির দাম বাড়তি। রোজার প্রথম সপ্তাহের পর থেকে সবজির দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া বাজারে কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। লেবু বিক্রেতা মো. কালাম বলেন, চাহিদা অনুযায়ী লেবু পাওয়া যাচ্ছে না। রোজা উপলক্ষে লেবুর চাহিদা অনেক বেশি। এ কারণেই দাম বেড়েছে। তবে আগের দামেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। বড় রসুনের কেজি ১৩০-১৪০ টাকা। ছোট রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা, আদার কেজি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, চায়না আদা ২২০ টাকা। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়, খোলা চিনির কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা, খোলা আটা ৬০ টাকা। তবে প্যাকেট আটা প্রতি কেজি ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৭০ টাকা। আর ২ কেজির প্যাকেট আটা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।এসব বাজারে দেশি মসুরের ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, ইন্ডিয়ান মসুরের ডাল ১২০-১২৫ টাকা। সয়াবিন তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৭ টাকা, লবনের কেজি ৩৮-৪০ টাকা। বাজারে সবজি নিতে আসা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, এখন নি¤œ ও মধ্যম আয়ের মানুষ খুব চাপে আছে। আমার পরিচিত অনেকেই অত্যন্ত কষ্ট করে চলছেন। বাজারের এই অবস্থার জন্য বিশ্ব বাজারকে নতুন করে দায়ী করার কিছু নেই। তদারকি ও ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি রয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ১৩০ টাকা, হাঁসের ডিমের ডজন ১৮০-১৯০ টাকা, আর দেশি মুরগির ডিমের ডজন ১৯০-২০০ টাকা। এখনও বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ২৭০ টাকা। গত সপ্তাহে ছিল ২৫০-২৬০ টাকা। সোনালি মুরগি হচ্ছে ৩৭০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা। বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. রুবেল বলেন, কখনো ব্রয়লার মুরগি এত দামে বিক্রি করিনি। মুরগির দাম বাড়ার পেছনে মূল কারণ সিন্ডিকেট। বাজারে গরুর মাংস বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। কেজি ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা, আর খাসির মাংসের কেজি ১০৫০-১১০০ টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com