সিদ্ধিরগঞ্জ সংবাদদাতা
সিদ্ধিরগঞ্জে আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে কয়েল তৈরি এবং কাস্টমসকে ম্যানেজ করে মাসে ১০ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ পাওয়া গেছে বাংলা কিং নামক কয়েলের মালিক অরুনের বিরুদ্ধে। এতে করে সরকার প্রতি বছর রাজস্ব হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। অরুনের কয়েলের কারখানা থেকে মাত্র ১শ’ গজ দূরে কাস্টমসের কার্যালয়। অপরদিকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাদানী নগর মাদ্রাসা সংলগ্ন বাংলা কিং কারখানায় কাজ করছে শিশু শ্রমিকরা। এ কারখানার কেমিক্যালের গন্ধে বসবাস করছেন কয়েক লাখ মানুষ। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে কয়েল কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে কয়েল উৎপাদন করছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় অরুনের কয়েল ব্যবসা চলছে প্রকাশ্যে। এ কয়েল কারখানার আশপাশের বাসিন্দারা শ্বাসকষ্টসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে তারা জানান।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের মাদানীনগর মাদ্রাসা সংলগ্ন অরুন মিয়া নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বাংলা কিং, এ টু জেডসহ বিভিন্ন ব্যান্ডের কয়েল প্রস্তুত ও বিক্রি করে মাত্র কয়েক বছরে নয়াআটি এলাকায় একাধিক বহুতলা বিশিষ্ট বাড়ি ও জায়গা জমির মালিক হয়েছে। সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পকেটে ভরেছেন কোটি কোটি টাকা। মাত্র কয়েক বছর পূর্বে যার নুন আনতে পান্তা ফুরাতো, কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন শুধুমাত্র কয়েলের ব্যবসা করে। তিতাসের কয়েকজন কর্মকর্তারা জানান, অবৈধভাবে যেসব কারখানা গ্যাস সংযোগ দিয়েছে তাদের কোন ধরণের ছাড় দেয়া হবে না। দ্রæত অভিযান চালিয়ে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। সচেতন মহলের দাবি, অরুনের কোটি কোটি টাকার সম্পদের হিসাব দুদকের মাধ্যমে নেয়া হলে আসল রহস্য বের হয়ে আসবে।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।