মার্চ মাসে বন্দরে বিভিন্ন অপরাধে মামলা হয়েছে ৪৯টি। এরমধ্যে ১টি হত্যা, ২টি ধর্ষণ, ২টি চুরি, ৩টি নারী ও শিশু নির্যাতন, ১টি পর্ণগ্রাফি, ৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ও ২৭টি মাদক মামলাসহ আরো অন্য মামলা দায়ের হয়েছে ১০টি। তবে মার্চ মাসে বন্দর থানায় ডাকাতির কোন মামলা দায়ের হয়নি। পুলিশের দাবি, মার্চ মাসে বন্দরে আইনশৃঙ্খলা যে কোন মাসের চেয়ে অনেক ভালো ছিলো। ২৭টি মাদক মামলায় পুলিশ বন্দরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৪১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। সে সাথে ৫ জন মাদক ব্যবসায়ী পলাতক রয়েছে। ২৭টি মাদক মামলায় বন্দর থানা পুলিশ ও র্যাব-১১ সহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বন্দর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১শ’ ৭৬ কেজি ৬শ’ ৩০ গ্রাম গাঁজা ও ২৪ হাজার ৫শ’ পিস ইয়াবা, ২৬ বোতল ফেনসিডিল ও ৬ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও বন্দর থানা পুলিশ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩২ জন জিআর মামলার ওয়ারেন্টে, ৩২ জন সিআর মামলার ওয়ারেন্টে ও ৪ জন সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসায়ীদের কোন ছাড়া নেই। গত মাসে বন্দর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬১ লাখ ৮০ হাজার টাকার বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। ৪৯টি মামলার মধ্যে ২৭টি মামলাই মাদকের। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বন্দরে বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। রাতের বেলায় বন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশের টহল জোরদার রাখা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বন্দর থানা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে আমি বন্দরবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।