বন্দর সংবাদদাাতা
ড্রেজার পাইপ চুরির অভিযোগ উঠেছে সাবেক বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাকসুদের ভাতিজা মোহনের বিরুদ্ধে। মোহন নাসিক ২৭নং ওয়ার্ডের কুড়িপাড়া এলাকার মৃত ওমর মিয়ার ছেলে।
শনিবার ১৪ জুন দুপুরে কেওঢালা অলিম্পিক ফ্যাক্টরি সংলগ্ন চোরাইকৃত পাইপ ক্রয় করা ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী জনতার কাছে আটক হয়।
আটককৃত ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী নায়েব আলীর ছেলে নাহিদ(২৬)। পরে তিনি চোরাইকৃত পাইপ ক্রয় করা স্বীকারোক্তিমূলক পাইপ চুরির সাথে জড়িত হোতাদের নাম প্রকাশ করেন। এর মধ্যে রয়েছেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদের ভাতিজা মোহনের নাম প্রকাশ করা হয়।
ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী নাহিদ জানান, চেয়ারম্যান সাহেবের ভাতিজা মোহন তিনি ৫ জন লোক নিয়ে এসে আমাকে ড্রেজার পাইপ ক্রয় করতে বলেন। তখন আমি পাইপ ক্রয় করতে অনিহা প্রকাশ করলে মোহন ড্রেজার পাইপের মালিক পরিচয় দেয় এবং বলে পাইপ কেনার পর যদি কোন জামেলা হয় আমি তো আছি। অনেক জোরাজুরি করার পর ১টি ড্রেজার পাইপ ২ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করি। পরবর্তীতে ¯’ানীয় লোকজন এসে আমাকে জিঙোসাবাদ করেন এবং আমি মোহনের কাছ থেকে পাইপ নিয়েছি তার নাম বলেছি।
ড্রেজার ব্যবসায়ী রমজান জানান, নাসিক ২৭নং ওয়ার্ডের ইটেরপুল চাপাতলী এলাকায় আমাদের ড্রেজার পাইপ রয়েছে। প্রতিনিয়ই পাইপ চুরি হ”েছ, সেখানে প্রায় ১২০ টা পাইপ ছিল, আজকে দুপুরে ভাঙ্গারী দোকানে চোরাইকৃত পাইপ ক্রয় করার খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে যাই এবং ড্রেজার পাইপটি আমাদের নিশ্চিত হই। সেখান থেকে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী নাহিদ কে ড্রেজার পাইপ সহ কুড়িপাড়া বটতলা এলাকায় নিয়ে আসি এবং চেয়ারম্যানের ভাতিজা মোহনের কাছ থেকে ক্রয় করছে বলে আমাদের জানান। পরে আমরা পুলিশকে খবর দেই। এই ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা করবে বলে জানান ড্রেজার ব্যবসায়ীরা।
ড্রেজার পাইপ চুরির বিষয়ে মোহনের ব্যবহৃত নাম্বারে একাধিকবার ফোনকল করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এসময় ধামগড় পুলিশ ফাঁড়ির এএআই রায়হানুল ইসলাম ঘটনা¯’লে এসে পাইপ চুরির ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। মামলার বিষয়ে তিনি জানান এখনো তারা কোন সুরাহা করতে পারেনি, আমি জরুরী নাম্বার ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে লক্ষণখোলা চলে আসছি।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।