বন্দর সংবাদদাতা
বন্দর বহু অপকর্মের হোতা ফেন্সি রাসেল কর্তৃক উপজেলার মদনপুর মাস্টার বাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবাধে মাদক ব্যবসা চলানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এসব চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের প্রকাশ্যে অবাধ বিচরণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছে না। আর প্রশাসনও এ ব্যাপারে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এলাকাবাসী ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, উপজেলার মদনপুর মাস্টার বাড়ি এলাকায় অবাধে মাদক ব্যবসা চলে আসছে। গ্রামটি মাদকসেবীদের নিরাপদ স্থান হওয়ায় এখানে নির্বিঘেœ তারা প্রতিদিন বিকেল থেকে মধ্যরাত অবধি গ্রামের বিভিন্ন সড়কে ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা ও হেরোইনসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন করে চলেছে। তবে রাত বাড়তে থাকলে মাস্টার বাড়ি এলাকা মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসী জানায়, মাস্টার বাড়ি এলাকার মৃত আবুল হাশেম মিয়ার ছেলে রাসেল ও তার ভাই আশরাফুল গং মাস্টার বাড়ি এলাকায় প্রকাশ্যে বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করছে যা এলাকায় মাদকের হাট নামে পরিচিতি রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামবাসীরা বলেন, এসব মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে গোপনে বিভিন্ন দপ্তরে বলা হলেও অজ্ঞাত কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। চলতি বছরের শুরুতেই রাতের আধারে মদনপুরস্থ সুরুজ গ্রæপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লি. এর ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকার মাটি চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। এ ঘটনায় উক্ত ইন্ডাস্ট্রির সিকিউরিটি ইনচার্জ মো. সবুজ মোল্লা বাদি হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামী হলো ফেন্সি রাসেল। বন্দর থানা পুলিশের নিরব ভূমিকা থাকার কারণে মদনপুরের ত্রাস নামে পরিচিত ফেন্সি রাসেলসহ তার সন্ত্রাসী গ্রæপ আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ফেন্সি রাসেল ও তার সন্ত্রাসী ভাই আশরাফুল ইসলামসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে বন্দর থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে। ফেন্সি রাসেল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর কবল থেকে চিরমুক্তি পাওয়ার জন্য জেলা পুলিশ প্রশাসন ও বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মদনপুরবাসী।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।