বন্দর সংবাদদাতা
বন্দরে প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে ইট বালু সিমেন্ট রডসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী গাড়ি নসিমন, টমটম ও মাহিন্দ্র। লাইসেন্সবিহীন এই গাড়িগুলোর চালকদের কারোই নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স। তারা পরিবহন নিয়মবিধি না মেনে প্রধান সড়কগুলোতে বেপরোয়াভাবে যানবাহন চালানোর ফলে প্রতিনিয়তই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। যে দুর্ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির মৃত্যুর খবরও পাওয়া যায়। এ পরিবহনের চালকরা বেশি আয়ের আকাংখায় দ্রæতগতিতে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে থাকেন। পরিবহন চালকদের জন্য ট্রাফিক নিয়ম থাকলেও মানছেনা না এসব চালকরা। এদের অধিকাংশ চালকদের বয়স অল্প যারা এ গাড়ির চালানোর মত ক্ষমতা রাখেনা। বন্দর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, রূপালী আবাসিক এলাকায় বন্দর ঘাট, বন্দর স্কুল ঘাট, ইস্পাহানী ঘাট, নবীগঞ্জ, লক্ষণখোলা, চৌরাপাড়া, সোনাচড়া, ধামগড় ইউনিয়ন, মদনপুর ইউনিয়ন, মুছাপুর ইউনিয়ন, বন্দর ইউনিয়ন, কলাগাছিয়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন স্থানে চলছে এসব লাইসেন্সবিহীন যানবাহন। এছাড়াও প্রতিটি ইট ভাটার মাটি টানার জন্য ব্যবহার হচ্ছে এ গাড়ি। বিশেষ করে ইট বালু সিমেন্ট ও রড ব্যাবসায়ীদের এ গাড়িগুলোর জন্য সড়ক এখন অনিরাপদ। একাধিক ব্যক্তি বলেন, বেপরোয়া এসব গাড়ির কারণে সড়কে চলাচল অসাধ্য হয়ে উঠছে। এসব যানবাহন পরিবেশও নষ্ট করছে বিধায় পরিবেশগত ঝুঁকিও বাড়ছে। এসব লাইসেন্সবিহীন যানবাহন একটি শক্তিশালী মহল নিয়ন্ত্রণ করছে বলে তাদের কিছু বলা যায় না। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, প্রশাসন যেন এই ব্যাপারে আইনের কঠোর প্রয়োগ করে এবং পরিবেশগত ঝুঁকি যেন প্রশাসন বিবেচনা করে। এব্যাপারে বন্দর উপজেলার নির্বাহী অফিসার বিএম কুদরত এ খোদা বলেন, অচিরেই মোবাইল কোর্ট চালিয়ে লাইসেন্সবিহীন এসকল গাড়ি আমরা বন্ধ করে দিবো।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।