বন্দর সংবাদদাতা
বন্দরে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।মশা দমনের উদ্যোগ না নেয়ায় চরম ভোগান্তিতে দিন যাপন করছে বন্দরবাসী। দিন দিন অসুস্থতার হারও বেড়ে চলেছে বলে জানা গেছে। বছরের এই সময়টা মশা বেশি বৃদ্ধি পায় যার ফলে মশার উপদ্রবটা বেশি। এ মশা দমনের জন্য যে পরিমাণ ওষুধ দেয়া প্রযোজন তা দেয়া হচ্ছে না বলে জানায় এলাকাবাসী। এব্যাপারে ডালিম হায়দার ও তার পরিবার বলেন, বর্তমানে মশার উপদ্রব এতো বেশি কয়েল জালিয়েও মশা দূর করা যায় না। যার ফলে সারাক্ষণ মশারী টানিয়ে রাখতে হয়। মশা বৃদ্ধি হলে প্রতি বছরই দেখা যেতো মশার ওষুধ দেয়া হতো। কিন্তু এ বছর তাও ঠিক মত দিচ্ছে না। সিটির আওতায় বসবাস করে যদি এটুকু সুবিধা না পাওয়া যায় তাহলে কি লাভ হলো সিটি কর্পোরেশন হয়ে।
এব্যাপারে একাধিক ব্যক্তি বলেন, মশা বৃদ্ধি হবেনা কেন নগর জুড়ে মশা তৈরির কারখানা ময়লা আবর্জনা যার কারণে মশা উৎপাদন হয়। ময়লা আবর্জনার মধ্যে সব সময় মশা দমনের ওষুধ দেয়া হয় যাতে মশা বৃদ্ধি না হয়। আমাদের সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী নগর জুড়ে উন্নয়ন করলেও ছোট বিষয়গুলো তিনি এড়িয়ে যান যেটা এক সময় বড় ধরনের সমস্যার রূপ নেয়। আমাদের কাউন্সিলররা বন্দরে থেকেও তাদের চোখে কি এই সমস্যা গুলি পরে না? তারা শুধু রাস্তা নিয়েই আছে, আমাদের মনে হয় রাস্তা ড্রেনের উন্নয়নের কাজে ফায়দা নেয়া যায় কিন্তু মশার ওষুধ দিলেতো ফায়দা নেয়া যায়না তাই তারা এবিষয়টি এড়িয়ে চলেন। এ ব্যাপারে ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহিন মিয়া বলেন, আমার ওয়ার্ডে প্রতিদিন মশার ওষুধ দেয়া হয়। তারপরও কেন মশা উপদ্রব কমছেনা বলতে পারি না। আমি এ বিষয় নিয়ে আমাদের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী আপার সাথে আলাপ করবো যেনো ওষুধের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া যায়। এব্যাপারে ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুলতান আহম্মেদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।