নিজস্ব সংবাদদাতা
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ বলেছেন, অলসতা সহজ জিনিসকে কঠিন বানিয়ে দেয়। কঠিন জিনিস আরও কঠিন। সে আসলে নিজের জীবনকে কঠিন বানিয়ে ফেলে। সে যদি বুঝতে পারে আমার দুর্বলতা কোথায় তাহলে তার অলসতা থাকে না। তিনি বলেন, মর্গ্যাণ এই পৌরসভার প্রশাসক ছিলেন। তিনি এই জায়গাটা দিয়েছিলেন এই স্কুলের জন্য। বাচ্চাদের কথা শোনানো শেখাতে হবে। কেউ বক্তব্য শুনতে চায় না। কথা শোনাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কথা বলে লাভ কী পুরষ্কার বিতরণ করে লাভ কী এটা বাচ্চাদের শেখাতে হবে। তারাই পুরষ্কার পায় যারা পরিশ্রম করবে।মঙ্গলবার (২১ মার্চ) মর্গ্যাণ স্কুল এন্ড কলেজে আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, শিক্ষকরা বলে এই ছেলে ও মেয়েটা খুব মেধাবী। আমি বলি ১০ শতাংশ মেধা বাকি ৯০ শতাংশ পরিশ্রম প্রয়োজন। ছাত্রদের দায়িত্ব শিক্ষকের দেখিয়ে দেয়া জানালা অনুসরণ করা। আমি শিক্ষকদের বলবো অতীত ভুলে যাবেন না। যখনই কোন অনুষ্ঠান হবে পুরনোদের কথা স্মৃতিচারণ করবেন। তাহলে বাচ্চারা শিখতে পারবে। তিনি আরো বলেন, আমরা স্বপ্ন দেখি স্মার্ট বাংলাদেশের। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধামুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হয়েছে। এখন স্মার্ট বাংলাদেশ করতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ করতে ৪টা জিনিস লাগবে। স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট ইকোনোমিক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন ২০৪১ সালে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ বানাবো। আপনাদের জন্য বানাবো। এমন দেশের নাগরিক হতে হলে ছাত্রদের অনেক দায়িত্ব। অলসতা সহজ জিনিসকে কঠিন বানিয়ে দেয়। কঠিন জিনিস আরও কঠিন। সে আসলে নিজের জীবনকে কঠিন বানিয়ে ফেলে। সে যদি বুঝতে পারে আমার দুর্বলতা কোথায় তাহলে তার অলসতা থাকে না।
তিনি বলেন, পৃথিবী আমাদের দেয়ার জন্য প্রস্তুত আছে। আমরা কী সে পরিমাণ প্রস্তুত কীনা। মতিয়া চৌধুরী এই স্কুলের স্টুডেন্ট। আমাদের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী এই স্কুলের স্টুডেন্ট। টিচারদের দায়িত্ব হলো কথা শোনার মানসিকতা ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে প্রস্তুত করা। তিনি আরো বলেন, বাচ্চাদের এতো টিচার কেন। আমরা কাকে আইসিইউতে রাখি, যে অসুস্থ। সুস্থ মানুষদের জন্য তো ডাক্তার দরকার নেই। আমরা আমাদের বাচ্চাদের অচল মনে করি। জোর করে শেখানোর পরিবর্তে ভালবেসে শেখাতে হবে। এটা যদি বোঝানো যায় তাহলে তার এতো টিচার লাগবে না। আপনার বাচ্চাকে অচল করে দিবেন না। আপনার বাচ্চা যদি না পড়ে এক জোড়া টিচার দিয়ে হবে না। ছাত্র-ছাত্রীদের অনুরোধ করবো নিজের পড়া নিজের পড়তে হবে। তাহলেই তুমি পুরস্কৃত হবে।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।