আড়াইহাজার সংবাদদাতা
আড়াইহাজারে ঘরের দরজা ভেঙ্গে হাত-পা বেঁধে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২২ মার্চ) রাতে উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদি হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন আড়াইহাজার থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম তৈয়ব। মামলায় অভিযুক্তরা হলো, আড়াইহাজার উপজেলার কাহেন্দী গ্রামের খালেকের ছেলে মো. সেলিম (৩২), উপজেলার ঝাউকান্দী এলাকার আবুল হাশেম মেম্বারের ছেলে মো. সুজন মিয়া (২৬) ও কাহেন্দী গ্রামের আফছারের ছেলে ফয়সাল (২৯)। মামলায় উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী পেশায় একজন বাস ড্রাইভার এবং সে প্রায় সময় পেশাগত কাজে বাইরে থাকে। অভিযুক্ত যুবক সেলিম অনেকদিন থেকেই ওই গৃহবধূর স্বামীর অবর্তমানে তাকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বুধবার রাত ৮টার দিকে গৃহবধূ রাতে খাওয়া শেষে ঘুমিয়ে ছিল। রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেলিম তার দু’জন সহযোগী সুজন মিয়া ও ফয়সালকে সাথে নিয়ে গৃহবধূর ভাড়াটিয়া বাসার টিনের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে এবং তার পড়নে থাকা ওড়না দিয়ে তার দুই হাত বেঁধে ধর্ষণ করে। ওই সময় সেলিমের অপর দুই সহযোগী সুজন মিয়া ও ফয়সাল বাইরে পাহারায় ছিল। রাত ৯টার দিকে সেলিম ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ শেষে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেয় এবং বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে জানিয়ে সেলিম সেখান থেকে চলে আসে। আড়াইহাজার থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, গৃহবধূর সাথে পূর্বে থেকে ভালো সুসম্পর্ক ছিলো অভিযুক্ত সেলিমের সাথে। তারই সুবাদে ঘরের টিনের দরজা ভেঙ্গে সেলিম তার আরও দুই সহযোগীর সহায়তা নিয়ে হাত-পা বেঁধে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেছে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। আমরা মামলার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এছাড়া অভিযুক্ত পলাতক আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য আমাদের পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। অভিযুক্ত সেলিমের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।