Logo
শিরোনাম
ফতুল্লায় অস্ত্র-গুলি ও মাদক উদ্ধার দেখার কেউ নেই……………………………../রিভার্স ইসদাইরে অপহরণ ও গুম আতংক সাজাপ্রাপ্ত আসামি মজিবুর গ্রেফতার জমি নিয়ে বিরোধের জের বন্দরে খামারে বিষপ্রয়োগ ৬টি হাঁস ও ২টি শালিক পাখি হত্যার অভিযোগ/কিকঅফ আনিসুল ইসলাম সানি’র শয্যাপাশে কেন্দ্রীয় জাসাসের সদস্য সচিব রোকন ডিবি পরিচয়ে দাপায় ছিনতাই নারীসহ ৩ জনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ/কিকঅফ কৃষক ও ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছি………………………………স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতকে বাণিজ্য উপদেষ্টা এফটিএ দু’দেশের বাণিজ্য ভলিউম বাড়াবে মুন্সিগঞ্জের আলুর মাঠে উৎসবের আমেজ ফাজিলপুরে দোয়া মাহফিলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী/রিভার্স খালেদা জিয়া সুস্থ হলে সবার মঙ্গল
HEL [tta_listen_btn]

কারখানা বন্ধে মালিকদের প্রতি বিজিএমইএ`র আহ্বান

কারখানা বন্ধে মালিকদের প্রতি বিজিএমইএ`র আহ্বান

 

ঢাকা অফিস  : ‘সার্বিক পরিস্থিত ‘ বিবেচনা করে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক।

শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে এক অডিও বার্তায় তিনি এ অনুরোধ জানান। খানিক আগেই তিনি এক বার্তায় বলেছিলেন, কাজের অর্ডার থাকলে পোশাক কারখানা খোলা রাখতে পারবেন মালিকরা। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

মালিকদের উদ্দেশে রুবানা হক বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ১১ তারিখ পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখতে আপনাদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি। এছাড়া সঙ্গত ও মানবিক কারণে কারখানায় উপস্থিত হতে না পারলে শ্রমিকদের চাকুরিচ্যুত না করার আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

রুবানা হক বলেন, শ্রমিক যদি কোনো কারণে এবং সঙ্গত কারণে উপস্থিত না থাকেন কারখানায় মানবিক বিবেচনায় তার চাকরিটি হারাবেন না। এটি আমাদের প্রত্যেক সদস্যদের কাছে অনুরোধ করব। আমি আশা করি, এই শিল্পখাত যেটি অর্থনীতিতে এতবড় অবদান রাখে সেই মালিকেরা তাদের শ্রমিকের অনুপস্থিতির কারণে চাকরি না হারান। আশা করি, সদস্যরা এটি শুনবেন এবং আমার অনুরোধটুকু রাখবেন।

বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট করার প্রয়োজন আছে। আমাদের কল-কারখানা পরিদর্শন অধিদফতর আমাদের যে সার্কুলার দিয়েছিলেন তাতে স্পষ্ট করে লেখা আছে যে সমস্ত রফতানিমুখী শিল্পে আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা পিপিই বানাচ্ছে, যাদের উৎপাদন কার্যক্রম চলমান আছে সেই সমস্ত শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা একেবারে সুনিশ্চিতকরণ সাপেক্ষে শিল্প কারখানা চালু রাখতে পারবে।

কাজেই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্বটি হলো, কীভাবে আমরা আমাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তাটি দেব। এটি প্রথম। দ্বিতীয় জায়গাটি হলো মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনো রকম অনীহা অনাগ্রহ কোনোকিছুর অবকাশ নেই। মার্চ মাসের বেতন আমাদের শ্রমিকরা পাবেনই। এটি আমরা নিশ্চিত করতে চাই। এটি আমাদের যত কষ্ট হোক, যাই হোক আমরা মার্চ মাসের বেতন দেব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com