Logo

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জালাল হাজীর কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জালাল হাজীর কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি

বন্দর সংবাদদাতা :
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সাংসদ হাজী জালাল উদ্দিনের (জালাল হাজী) ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার সমাধীতে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে বন্দর বাগে জান্নাত নবীগঞ্জ কবরস্থানে পূষ্পার্ঘ্য অর্পন করে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবুল কাউসার আশার বন্ধু মহল এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুল ইসলাম ছকু, মো. আরাফাত চৌধুরী মেহেদি, জাহাঙ্গীর, মোস্তফা, দুলাল, মামুন, শিপন, শ্যামল, আহাদ হোসেন লিটন, সৌরভ, ডালিম, হোসেন লিয়ন, অজিদ দাস সহ প্রমূখ। এছাড়াও সকাল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সহ সর্বস্তরের মানুষ জালাল হাজীর সমাধীতে শ্রদ্ধা জানান। প্রসঙ্গত, মরহুম হাজী জালাল উদ্দিন (জালাল হাজী) নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ এড. আবুল কালাম এর পিতা। তিনি ১৯৮৭ সালে ২০ ফেব্রুয়ারী ৭৬ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যর পাশাপাশি ১৯৭৯ সালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সাংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়াও দীর্ঘদিন নারায়ণগঞ্জ পৌরসভায় কমিশনার ও ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। তার উন্নয়নের কর্মকান্ডের তালিকায় রয়েছে নারায়ণগঞ্জ বিশ্ব বিদ্যালয় কলেজ, গণবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়, কদম রসুলস্থ হাজী সিরাজউদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় সহ একাধিক মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। সেই সাথে নারায়ণগঞ্জ জিয়া হল ও বর্তমান ৩শ’ শয্যা বিশিষ্ট (খানপুর) হাসপাতাল স্থাপনের একজন সংগঠন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মহানগর বিএনপির স্মরণসভা
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ জালাল উদ্দিন আহমেদের ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় কালীরবাজার এলাকায় বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর বিএনপির সহসভাপতি এড. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, সহসভাপতি এড. আতাউর রহমান মুকুল, ফখরুল ইসলাম মজনু, এড. রিয়াজুল ইসলাম আজাদ, মনিরুজ্জামান মঞ্জু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, আওলাদ হোসেন, মনিরুল ইসলাম সজল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ‘জালাল উদ্দিন আহমেদ আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন। তার আন্তরিকতা সম্পর্কে আমাদের সবার জানা আছে। তিনি এমপি থাকাকালীন অবস্থায় প্রতিটি সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নিয়েছেন। শহীদ জিয়াউর রহমানের যে সততার রাজনীতি, জালাল উদ্দিন আহেমদ সেই সততার রাজনীতি করতেন। তার সততা ছিল বলে আজকে তার আদর্শের কথা বারবার উঠে আসছে। ১৯৮৩ সালের ১৯ এপ্রিল বিএনপিকে বিভক্ত করে দুইটি সভা হয়েছিল। তখন জালাল উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আমাদের দলকে পূর্ণাঙ্গ করা হয়। আজকে তার উত্তরসূরী আমরা। আমাদের মাঝে সততা থকালে একদিন আমরা সফল হবোই। আমাদের মধ্যে সততা থাকলে আবারও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হবে। বক্তারা আরও বলেন, ‘আজকে আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয় বরং প্রশাসনের লোকজনই আমাদের শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজকে কথায় কথায় প্রশাসন আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। এ সময় যারা জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করেন তাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *